রাজধানীর গুলশানে জোড়া খুনের ঘটনায় রুমন (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
মঙ্গলবার রাতে র্যাব-১ ও র্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর এলাকা থেকে রুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দোকানের কর্মচারীকে গ্রেপ্তারের পর র্যাব বলছে, বেতন নিয়ে মালিক ও কর্মচারীর ‘মনোমালিন্য’ এই হত্যাকাণ্ডের কারণ।দোকান মালিককে খুন করার দৃশ্য দেখে ফেলার কারণে আরেক কর্মচারীকেও খুন করা হয়।
নিহত মো. রফিকের (৬২) ছিলেন ওইচায়ের দোকানের মালিক আর সাব্বির (১৬) ছিলেন দোকানটির কর্মচারী। ঘটনার পর থেকেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আজ বুধবার রাজধানীর কাওরান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস তাকে আটকের বিষয়টি জানান।
রুমানের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, চায়ের দোকানে কাজ করতে গিয়ে অল্প বেতন এবং কাজ নিয়ে মালিক রফিকের সঙ্গে মনোমালিন্য হয় দোকানের কর্মচারী মো. রুমনের। পরপর কয়েক দফা বাকবিতণ্ডাও হয় তাদের। এরই জের এবং আরেকটি পক্ষের ইন্ধনে রফিককে হত্যা করে রুমন। এই ঘটনা দেখে ফেললে দোকানের আরেক কর্মচারী সাব্বিরকেও হত্যা করা হয়। রুমনসহ এই হত্যায় আরও দুজন জড়িত।
মুনীম ফেরদৌস বলেন, “গুলশান-২ এর একটি বাড়ির কেয়ারটেকার ছিলেন রফিক। পাশেই তার চায়ের দোকান। সাব্বির ছিল ওই দোকানের কর্মচারী। সে কাজ ছাড়ার কথা জানালে রুমনকে কাজে রাখেন রফিক।”
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “রফিকের সঙ্গে একটি পক্ষের লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। ওই পক্ষটি রুমনকে টাকার লোভ দেখিয়ে হত্যায় জড়িত করে। রুমনসহ এই হত্যায় আরও দুজন জড়িত। তাদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। আরেকজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
হত্যা মামলায় রুমনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।









