কিছুদিন ধরেই আলোচনায় দেশদ্রোহীতার অভিযোগ কাঁধে নিয়ে দেশ ছাড়বেন সার্বিয়ার টেনিস কিংবদন্তি নোভাক জোকোভিচ। দেশটিতে সরকারবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জোরালভাবে চলছে মাসব্যাপী। সেটির পক্ষে থাকায় জোকোকে দেশদ্রোহী বলছে সরকারপক্ষ এবং সার্বিয়ার গণমাধ্যম। এবার গ্রিসের গণমাধ্যম খবর দিল, সার্বিয়া ছেড়ে গ্রিসে পাড়ি জমিয়েছেন ২৪টি গ্র্যান্ড স্লামজয়ী জোকো।
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুসিচের সরকারের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে নেমেছে ছাত্র-জনতা। ২০২৪ সালের নভেম্বরে একটি রেল স্টেশনের ছাদ ধসে ১৬ জনের মৃত্যুর পর থেকে সার্বিয়ার সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। এখনও চলছে যে আন্দোলন, যার পাশে দাঁড়িয়েছেন সার্বিয়ান টেনিস কিংবদন্তি।
কদিন আগে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে জোকো হেরে যান কার্লোস আলকারাজের কাছে। তার পরই ৩৮ বর্ষী জোকার পরিবারের সাথে স্থায়ীভাবে গ্রিসের অ্যাথেন্সে চলে গেছেন। সার্বিয়ার রাষ্ট্রপতি আলেক্সান্ডার ভুসিচ তাকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দেয়ার পর চলে গেলেন জোকোভিচ।
জোকোভিচ বেলগ্রেড ছেড়ে অ্যাথেন্সে এসে ইতিমধ্যে দুই সন্তান স্টেফান এবং তারাকে রাজধানীর একটি ইংরেজি ভাষার স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন। তিনি অ্যাথেন্সের দক্ষিণাঞ্চলে একটা স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা খুঁজছেন।

ইউরোপীয় গণমাধ্যম বলছেন, জোকোভিচ গ্রিসে গোল্ডেন ভিসার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিসের সাথে দুবার দেখা করেছেন। গ্রিসে অর্থ বিনিয়োগ করলে এ ভিসা পাওয়া যায়।
পূর্বে বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত এবং জোকোভিচের মালিকানাধীন এটিপি ২৫০ টুর্নামেন্টটি অ্যাথেন্সে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এ আয়োজনটির বিনিয়োগের অর্থও তার গোল্ডেন ভিসা পেতে সাহায্য করবে। তিনি অ্যাথেন্সে একটি টেনিস একাডেমি খোলার পরিকল্পনাও করছেন।









