এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট হতে না পেরে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে প্রায় ৪ লাখ ২৮ হাজার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়েছে। এতে আবেদন করেছেন মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ৫৬১ জন পরীক্ষার্থী।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে ঢাকা বোর্ডে, যেখানে ৬৬ হাজার ১৫০ জন পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৬টি খাতার পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন। অপরদিকে সবচেয়ে কম আবেদন এসেছে মাদ্রাসা বোর্ডে, যেখানে ৭ হাজার ৯১৬ শিক্ষার্থী ১৪ হাজার ৭৩৩টি খাতার পুনর্নিরীক্ষণ চেয়েছেন।
বোর্ডভিত্তিক আবেদনসংখ্যা
কুমিল্লা বোর্ড: ২২ হাজার ৫০৩ পরীক্ষার্থী, ৪২ হাজার ০৪৪ খাতা, রাজশাহী বোর্ড: ২০ হাজার ৯২৪ পরীক্ষার্থী, ৩৬ হাজার ১০২ খাতা, যশোর বোর্ড: ২০ হাজার ৩৯৫ পরীক্ষার্থী, ৩৬ হাজার ২০৫ খাতা, চট্টগ্রাম বোর্ড: ২২ হাজার ৫৯৫ পরীক্ষার্থী, ৪৬ হাজার ১৪৮ খাতা, সিলেট বোর্ড: ১৩ হাজার ৪৪ পরীক্ষার্থী, ২৩ হাজার ৮২ খাতা, বরিশাল বোর্ড: ৮ হাজার ১১ পরীক্ষার্থী, ১৭ হাজার ৪৮৯ খাতা, দিনাজপুর বোর্ড: ১৭ হাজার ৩১৮ পরীক্ষার্থী, ২৯ হাজার ২৯৭ খাতা, ময়মনসিংহ বোর্ড: ১৫ হাজার ৫৯৮ পরীক্ষার্থী, ৩০ হাজার ৭৩৬ খাতা, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড: ১২ হাজার ৭ পরীক্ষার্থী, ১৫ হাজার ৩৭৮ খাতা, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড: ৭ হাজার ৯১৬ পরীক্ষার্থী, ১৪ হাজার ৭৩৩ খাতা।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানিয়েছেন, ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যেই পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে, অর্থাৎ ১৬ নভেম্বরের মধ্যে ফল দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত হয় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল, এবং পরদিন থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়। প্রতিটি পত্রের জন্য ফি ছিল ১৫০ টাকা।
প্রতিবছরের মতো এবারও যারা ফলে অসন্তুষ্ট, তারা এই সুযোগ পান। তবে খাতা পুনর্নিরীক্ষণে নতুন করে মূল্যায়ন করা হয় না, বরং পরীক্ষার্থীর উত্তর অনুযায়ী প্রাপ্ত নম্বর সঠিকভাবে যোগ হয়েছে কিনা, তা যাচাই করা হয়।









