কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে ঢাকার গুলশানে নাইমুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থীকে হত্যায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ছোটপর্দার নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু। এ মামলা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা সিএমএম আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
রিংকুর আইনজীবী ছিলেন জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। জানা যায়, রাজনৈতিন পদবী থাকায় সন্দেহভাজন হিসেবে রিংকুকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি মোকাবিলায় তার জামিন হয়।
এই মামলায় অন্যদের মধ্যে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক চিফ হুইফ নূরে আলম চৌধুরী লিটন, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাবেক এমপি মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এবং গয়নার দোকান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ আগারওয়ালাকে আসামি করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করা রিংকুকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। মামলায় পরের দিন (২৪ সেপ্টেম্বর) তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক রাজু আহমেদ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
এসময় আসামিপক্ষ জামিন চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্যাহ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এছাড়া সিডি পর্যালোচনা ও তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জামিন শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন। এদিন জামিন পান রিংকু।
বোধ, পুতুলের সংসার, রিক্সাগার্ল- এর মতো দর্শকপ্রিয় নাটকের নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু। সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে গ্রেপ্তারের পর নাটকের শিল্পী, নির্মাতাদের মধ্যে আওয়াজ উঠে। তাকে গ্রেপ্তারে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নাট্যাঙ্গনের মানুষ।









