বিশ্বের প্রধান দূষিত নগরীগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান আবারও শীর্ষে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউ এয়ারের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল আটটার দিকে ঢাকার গড় বায়ুমান সূচক ছিল ২৭৩। এই মানকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হচ্ছে । আজ শুক্রবার সকালেও ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা আগের দিনের মতোই ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে।
বিশ্বের প্রধান দূষিত নগরীগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান আবারও শীর্ষে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউ এয়ারের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল আটটার দিকে ঢাকার গড় বায়ুমান সূচক ছিল ২৭৩। এই মানকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হচ্ছে ।
চলতি শুষ্ক মৌসুমে সাধারণত ভারতের দিল্লি কিংবা পাকিস্তানের লাহোর ও করাচির নামই বায়ুদূষণের শীর্ষে শোনা যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এসব শহরকে পেছনে ফেলে ঢাকাই একাধিকবার তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে। গতকাল যেমন ছিল, আজও তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।
আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, রাজধানীর কিছু এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা গড় সূচকের চেয়েও অনেক বেশি। কয়েকটি স্থানে সূচক ৪০০ ছাড়িয়েছে, যা প্রায় ‘দুর্যোগপূর্ণ’ পর্যায়ের কাছাকাছি। মোট আটটি এলাকায় বাতাসের মানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আইকিউ এয়ার নিয়মিতভাবে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বাতাসের মান পরিমাপ করে এবং তাৎক্ষণিক সূচকের মাধ্যমে জনসাধারণকে সতর্ক করে। ঢাকার বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সংস্থাটি স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য কিছু নির্দেশনাও দিয়েছে।
আজ বায়ুদূষণের তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের সাংহাই ও ভারতের দিল্লি। শহর দুটির বায়ুমান সূচক যথাক্রমে ২৩২ ও ২১৬।
রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান কমার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। গত ডিসেম্বর মাসজুড়েই ঢাকাকে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীগুলোর তালিকায় দেখা গেছে। চলতি জানুয়ারিতেও প্রায় প্রতিদিন একই চিত্র উঠে আসছে।
রাজধানীর যেসব এলাকায় দূষণ সবচেয়ে বেশি
আজ সকালে ঢাকার আটটি এলাকায় বায়ুর মান সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিল। এলাকাগুলো হলো-নিকুঞ্জের এএসএল সিস্টেমস লিমিটেড (৪২২), ধানমন্ডি (৩০০), ইস্টার্ন হাউজিং (২৮৫), দক্ষিণ পল্লবী (২৮৫), বে’জ এজওয়াটার (২৮১), বেচারাম দেউড়ি (২৮০), গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (২৭৩) ও গোড়ান (২২৪)।
দেশে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সময়ে একাধিক প্রকল্প ও কর্মসূচি নেওয়া হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।









