সিলেট থেকে: দরুণ এক জয়ে আসর শুরু করেছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। শক্তিশালী দলটি দ্বিতীয় ম্যাচে হোঁচট খেল। সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে হেরে মাঠ ছেড়েছে। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে নজর কেড়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ব্যাটে ঝড় তুলেছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী, শেষপর্যন্ত জেতাতে পারেননি ঢাকাকে। ৬ রানে জয় পেল সিলেট।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টসে জিতে টাইটানসকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তোলে স্বাগতিকরা। লক্ষ্যে নেমে ৮ উইকেটে ১৬৭ রানে থামে ঢাকা।
লক্ষ্যে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ঢাকা। উসমান খান ১৫ বলে ২১ রান করলেও সাইফ, আকবর, মিঠুন, নাসিরদের ব্যর্থতায় উঁকি দিতে থাকে বড় হারের শঙ্কা। ষষ্ঠ উইকেটে হাল ধরেন শামীম ও সাব্বির রহমান। যদিও জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না, শুধু ব্যবধানই কমিয়েছে।
সাব্বির ১৯ বলে করেন ২৩ রান, একটি চারের সাথে হাঁকান জোড়া ছক্কা। শামীম শেষপর্যন্ত লড়াই করে জিইয়ে রেখেছিলেন জয়ের আশা। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। প্রথম ৩ ওভারে চমকে দেয়া আমির সেই ওভারে বিলি করেন ২০ রান। আর ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৩ বলে ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন শামীম।
সিলেটের হয়ে ৪০ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন ওমরজাই। দুটি করে উইকেট নেন আমির ও নাসুম আহমেদ। মিরাজ শিকার করেন এক উইকেট।
আগে ঘরের মাঠে শুরুটা একদম ভালো হয়নি সিলেটের। ২২ রানে রনি তালুকদার ও মিরাজের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। ৭ বলে ১১ রানে রনিকে ফেরান সালমান মির্জা, তাসকিনের বলে সালমানের ক্যাচ হন ৭ বলে ৬ করা মিরাজ।
চাপ সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন সাইম আইয়ুব। উইকেট ধরে খেলতে গিয়ে ধীরগতিতে রান তুলতে থাকেন। ৩৪ বলে ২৯ রান করা সাইমকে ফেরান সাইফউদ্দিন। বেশি সময় টিকতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমনও। ২টি করে চার ও ছক্কায় ৩২ বলে ৪৪ করে সাজঘরের পথ ফেরেন।
১৭তম ওভারের শেষ বলে ১১ বলে ১৩ করা আফিফ হোসেনকে বোল্ড করেন সালমান। শেষদিকে সিলেটের দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন আফগান তারকা অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও ইংল্যান্ডের ইথান ব্রুকস। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ২৪ বলে ফিফটি হাঁকান ওমরজাই। অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন ৬ বলে ১৩ রান করা ব্রুকস।









