ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার মধ্যে গাজায় খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের গণকবর থেকে ৫০ ফিলিস্তিনির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, রাফাহ শহরের কেন্দ্রস্থলে ইসরায়েলি বোমা হামলায় গর্ভবতী নারী ও ৬ শিশুসহ ৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
গর্ভবতী সেই নারীর অনাগত সন্তানকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছেন চিকিৎসকরা। গাজা যুদ্ধ এবং ইরানের সাথে উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস ইসরায়েলকে সহায়তা করতে ২৬ বিলিয়ন ডলার তহবিল পাস করেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বরাত দিয়ে ইউনিসেফ জানিয়েছে, ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলায় প্রতি ১০ মিনিটে একটি শিশু আহত কিংবা নিহত হচ্ছে। গাজার সর্বশেষ পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে ইসরায়েলের হামলায় শিশুদের হতাহত হওয়ার এ মারাত্মক পরিসংখ্যান সামনে এনেছে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক সমন্বয় দপ্তরও (ওসিএইচএ)।
ওসিএইচএ তাদের পরিসংখ্যানে জানিয়েছে, এসময়ের মধ্যে উত্তর গাজা ও দক্ষিণ গাজার কিছু অংশে পরিচালিত মানবিক সহায়তা কার্যক্রম যে সমন্বয়ের দরকার ছিল, তা করেনি ইসরায়েল কিংবা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এতে বাধা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক উদ্বেগের মধ্যেই গাজার রাফা এলাকায় হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েল। শুক্রবার রাতভর সেখানে হামলায় ১০ জন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই শিশু ও নারী।
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া। অধিকৃত পশ্চিম তীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ‘নেটজাহ ইহুদা ব্যাটালিয়নের’ বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি যুদ্ধ মন্ত্রিসভার সদস্য বেনি গ্যান্টজ।
নাবলুসে অ্যাম্বুলেন্স চালক এবং নূর-শামস উদ্বাস্তু শিবিরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর মার্কিন এই নিষেধাজ্ঞা আসে। গত বছর ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৩৪ হাজার ৪৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭৬ হাজার ৯০১ জন।









