প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে উপকূলের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিধ্বস্ত হয়েছে কয়েক লাখ বাড়িঘর। এখনও বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন বিস্তীর্ণ এলাকা।
আজ (২৮ মে) মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টিতে বিভিন্ন জেলায় কমপক্ষে আরও ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই নিয়ে রেমালের তাণ্ডবে এই পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
খুলনা বিভাগের উপকূলীয় তিন জেলা বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও খুলনার ২৫টি উপজেলার দুর্যোগ কবলিত ইউনিয়ন ১শ’ ২৫টি। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ প্রায় ১২ লাখ। বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে এক লাখ ২৩ হাজার ৩শ ৭২টি।
নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল নজরপুরে স্তুপ করে রাখা ইট চাপা পড়ে বৃদ্ধ দম্পতির মৃত্যু হয়েছে। স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, ভোরে টানা বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ের কারণে স্তুপ করে রাখা ইট ঘরের ওপর ধসে পড়ে।
বরগুনা সদরে লেমুয়া গ্রামে ঘরে গাছ চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বরগুনার বিষখালি বুড়িশ্বর ও বলেশ্বর নদীর পানি বেড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ভেঙে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে আছে।
নোয়াখালীর উপকূলীয় হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিঝুমদ্বীপ, ঢালচর, ঘাসিয়ারচরসহ অনেক বিচ্ছিন্ন চর ও বেড়ি বাঁধের বাইরের এলাকায় জোয়ারের পানি এখনও ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষেতে জমে আছে। অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন।
ভোলায় গাছ চাপায় আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। খাগড়াছড়িতেও গাছচাপায় মারা গেছেন একজন। ২৯শে মে উপকূলের ৯ জেলার ১৯টি উপজেলার ভোট স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।









