উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’র প্রভাবে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চল হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ও সুবর্ণচরসহ বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার রাত থেকে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বর্ষণ হচ্ছে। এছাড়াও ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সৃষ্ট বৈরি আবহাওয়ার কারণে হাতিয়ার সাথে সারাদেশের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
শুক্রবার ১৭ নভেম্বর ভোর থেকে হাতিয়ার মেঘনা নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় কয়েক ফুট পানি বেড়েছে। গতকাল বিকেল থেকে মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরে থাকা মাছ ধরা ট্রলারগুলো তীরে ফিরে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সাথে ভার্চুয়াল মিটিং করেছেন জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ বৃষ্টিপাত আগামীকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলেও আবহাওয়া অফিস জানায়।
জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান জানান, যেকোন ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য জেলায় ৪৮৫টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেখানে ৩ লাখ ৪৮ হাজার উপকূলীয় এলাকার লোকজন আশ্রয় নিতে পারবেন। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিপিপির ৮ হাজার ৩৮০ জন, দু’শতাধিক রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবী, ১০১টি মেডিকেল টিম ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের জন্য ৪৭৯ টন চাল ও নগদ ২৪ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।








