নরসিংদীতে সিমেন্টবাহী কাভার্ডভ্যান ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন নারী ও এক শিশুসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন ওই মাইক্রোবাসের চালকসহ আরও ৪ জন।
শনিবার (৩১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দগরিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ৪ জন হলেন, রায়পুরা উপজেলার চরসুবুদ্দি ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার স্ত্রী কামরুন্নাহার বেগম (৩৫), এমরান মিয়ার স্ত্রী তানজিনা আক্তার (২৪), মো. সাদ্দাম এর মেয়ে সাবিহা (১৪) ও আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাজিদ (১২)। এই ঘটনায় গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী, নিহতদের স্বজন ও পুলিশ জানায়, একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মাইক্রোবাস রিজার্ভ করে রায়পুরার চরসুবুদ্দি থেকে রাজধানী ঢাকায় গিয়েছিলেন তারা। অনুষ্ঠান শেষে রাতে তারা রায়পুরার তাদের বাড়িতে ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই মাইক্রোবাসটি নরসিংদীর দগরিয়া এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি সিমেন্টবাহী কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে মাইক্রোবাসের চালকসহ ৮ জন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়দের মাধ্যমে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রায়হান দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাইক্রোবাস থেকে ৮ জনকে উদ্ধার করেন। তাদের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নরসিংদী জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেয়ার পথেই ৪ জনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত ৪ জনকে ঢাকায় রেফার্ড করেন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক।
১০০ শয্যা বিশিষ্ট নরসিংদী জেলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. রাকিব আসকারি জানান, ৪ জনকে মৃত অবস্থায় এবং ৪ জনকে গুরতর আহত অবস্থায় আমাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল। নিহতদের লাশ মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আহত ৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।









