রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ব্যালট বাক্সগুলো পৌঁছানো হয়। বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হলেও রাত ৮টা ৪৫ মিনিট থেকে ভোট গণনা শুরু হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯ টা থেকে বেলা চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাকসু নির্বাচনে মোট ২৮ হাজার ৯ শ’ ৯ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২০ হাজার ১ শ’ ৮৭ জন। ভোটগ্রহণে গড় উপস্থিতি ছিল ৬৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে সৈয়দ আমের আলী হলে, যেখানে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে শাহ মখদুম হলে ৭৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে ৭৭ দশমিক ৬০ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন।
অন্যদিকে সর্বনিম্ন ভোট পড়েছে রোকেয়া হলে, মাত্র ৫৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। রহামাতুন্নেছা হলে ভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ৭০ শতাংশ, আর বেগম খালেদা জিয়া হলে ৬১ দশমিক ৪৯ শতাংশ ভোটার অংশ নিয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটদানের হারকে প্রশাসন সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
তবে ভোটগ্রহণ চলাকালে দুপুরে কেন্দ্রের লাইব্রেরির সামনে ইসলামী ছাত্রশিবির ও পরিবহন মার্কেট চত্বরে ছাত্রদলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে ভোটে কারচুপির অভিযোগ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে।
ক্যাম্পাসজুড়ে তিন তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকায়, আবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আবু সুফিয়ান।
এদিকে, ভোটগ্রহণ শেষ হলে, ১৭ টি ভোট কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স নিয়ে আসা হয়, কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে। সেখানে শুরু হয় ভোট গণনার কাজ।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। ভোট গণনা ও নির্বাচনের ফলাফল সকলের জন্য উন্মুক্ত করতে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের বাহিরে ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এলইডি বোর্ডের মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।









