চলতি বছরের জুনে বসতে যাচ্ছে সাউথ আমেরিকার মহাদেশীয় ফুটবল আসর কোপা আমেরিকা। মাসখানেক পর প্যারিসে অলিম্পিক গেমসের পর্দা উঠবে। ফুটবল মাঠে আর্জেন্টিনার জার্সিতে কোনটিতে অংশ নেবেন, তা নিয়ে মানসিকভাবে দোটানায় রয়েছেন লিওনেল মেসি।
অলিম্পিকের ফুটবল ইভেন্টে মেসির খেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো মহাতারকার জন্য দরজা খোলা রেখেছেন। যদিও এলএম টেনের ক্লাব ইন্টার মিয়ামির কোচ টাটা মার্টিনো এ ব্যাপারে সরাসরি কোনো তথ্য জানাননি।
কোপা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে ২০ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত হবে। এর মাত্র ১২ দিন পর প্যারিসে শুরু হবে অলিম্পিক। টাটা মার্টিনো দুই টুর্নামেন্টেই ফুটবলারদের খেলার বিপক্ষে মত দেন। কারণ ওই সময় মেজর লিগ সকারের খেলাগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকবে।
গণমাধ্যমকে মিয়ামি কোচ বলেন, ‘সামনে দুটি প্রতিযোগিতা কাছাকাছি সময়ের ভেতর রয়েছে। এর মানে দাঁড়ায়, একজন খেলোয়াড় দুই মাসের বেশি সময় ধরে ক্লাবের দূরে থাকবে।’
মিয়ামিতে মেসির প্যারাগুইয়ান সতীর্থ ডিয়েগো গোমেজের উদাহরণ টেনে মার্টিনোর ভাষ্য, ‘তার সামনে কোপা আমেরিকা এবং অলিম্পিক গেমস খেলার সুযোগ আছে। এটা জানি আমাদের তাকে কোপায় খেলতে দিতে হবে, অলিম্পিক গেমসে নয়। প্যারাগুয়ের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে আমরা যোগাযোগ করেছি। সেখানে আমার অনেক বন্ধু আছে। আমি তাদের গোমেজকে খেলাতে শুধুমাত্র একটিকে বেছে নিতে বলেছি।’
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে চীন সফরে হংকং একাদশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটি খেলেন ইন্টার মিয়ামি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটির ৪-১ গোলে জয়ের ম্যাচের আগে চোটের কারণে পুরোটা সময় বেঞ্চে বসে কাটান মেসি। বাস্তবতার নিরিখে ৩৬ বর্ষী ফুটবলারের খেলার ধকল সামলাতে হলে তার সামনে কোপা আমেরিকা ও অলিম্পিকের ভেতর কোনো একটিকে তার বেছে নিতে হবে।
মেসি ইতিমধ্যে অলিম্পিকে খেলেছেন এবং ২০০৮ সালে বেইজিংয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন। আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ২০২১ সালের কোপা আমেরিকাও জিতেছিলেন। পরের বছর আলবিসেলেস্তেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের নায়ক ছিলেন।








