ভারসাম্য এবং ধারাবাহিকতাকে কোপা আমেরিকায় ব্রাজিলের সাফল্যের চাবিকাঠি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন ডোরিভাল জুনিয়র। কোস্টারিকার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে সেলেসাওদের কোচ এ দৃষ্টিভঙ্গি শুরুর একাদশ দিয়ে অবহিত করেন।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় সোফি স্টেডিয়ামে গড়াবে ডি-গ্রুপের ম্যাচটি, যা দিয়ে আসর শুরু করবে ব্রাজিল। তার আগে কোচ জানালেন, শুরুর একাদশে দুই নতুন মুখ রিয়াল মাদ্রিদের সেন্টারব্যাক এডের মিলিতাও এবং অ্যাটলেটিকো মিনেইরোর ফুলব্যাক গুইলহার্মে আরনা থাকবেন। লাইনআপ নিয়ে তিনি অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
ম্যাচের আগেরদিন রোববার সংবাদ সম্মেলনে ডোরিভাল বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়, প্রতি ম্যাচে একটি বা দুটি পরিবর্তন আসতে পারে। সব খেলোয়াড়ই তৈরি, ওদের কাউকে নিয়েই আমাদের প্রত্যাশা কম নয়। আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।’
রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়া এনড্রিক শুরুর একাদশে থাকবেন না, জানিয়েছেন ডোরিভাল। দ্বিতীয়ার্ধে তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ১৭ বর্ষী ফুটবলারের ব্যাপারে তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।
‘ব্যাপারটা এমনকিছু, যা স্বাভাবিকভাবে ঘটবে। বেশি সময় নাও লাগতে পারে। কারণ সে অত্যন্ত দক্ষ। তাকে মাঠে নামানোর জন্য তাড়াহুড়ো করছি। তবে একটি নির্দিষ্ট ভারসাম্য থাকতে হবে। তার দুর্দান্ত দক্ষতা রয়েছে এবং সে সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড়দের একজন।’
গতবারের রানার্সআপ ব্রাজিলের স্কোয়াডে পারফরম্যান্সের স্থিতিশীলতার অভাবের বিষয়টি তুলে আনেন ডোরিভাল। এজন্য খেলোয়াড়দের একসঙ্গে দীর্ঘ সময় না থাকাকে কারণ উল্লেখ করেছেন।
‘আমাকে এমন একটি দলের জন্য ভারসাম্য খুঁজে বের করতে হবে, যে দল মাত্র তিন মাস আগে একত্রিত হয়েছিল। ছেলেরা ১৫ বা ২০ দিন কাজের পর চলে যায়, তাদের মধ্যে থেকে আমাদের একটা ভারসাম্য খুঁজে বের করতে হবে। ফুটবলে অনুশীলনের প্রস্তুতির ধাপগুলো এড়িয়ে যেতে পারেন না। সুযোগ তৈরিতে খেলোয়াড়দের স্বতন্ত্রতা ব্যবহার করা যেতে পারে।’









