কোপা আমেরিকার শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে কানাডাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে আর্জেন্টিনা। শেষ আট আসরে ছয়বার ফাইনালে উঠল আলবিসেলেস্তে দলটি। লিওনেল মেসি ও জুলিয়ান আলভারেজের গোলে জয় এসেছে। শিরোপার মঞ্চে তাদের প্রতিপক্ষ হবে উরুগুয়ে ও কলম্বিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় সেমির জয়ী।
নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বুধবার ভোরে আসরের প্রথম সেমিফাইনালে কানাডাকে ২-০ গোলে হারিয়ে শিরোপার মঞ্চে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচে ৬১ শতাংশ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল আর্জেন্টিনার। ১১টি শটের মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় তারা। অপরদিকে, কানাডা ৯টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখতে পারে কেবল ২টি।
ম্যাচ শুরুর তিন মিনিটের মধ্যে প্রথম সুযোগ পেয়ে যায় কানাডা। শ্যাফেলবার্গের শট গোলবারের উপর দিয়ে চলে যায়। আট মিনিট পর আবাবও সেই শ্যাফেলবার্গই একই পজিশনে বল পেলে জালে জড়াতে পারেননি।
আর্জেন্টিনার প্রথম আক্রমণের সুযোগ আসে ১২ নিনিটে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে লিওনেল মেসির বাঁ-পায়ের জোড়াল শটটি জাল খুঁজে নিতে পারেনি।
সফলতা আসে ম্যাচের ২৩ মিনিটে, রদ্রিগো ডি পলের পাস থেকে বল পেয়ে জালে জড়ান জুলিয়ান আলভারেজ। ১-০তে এগিয়ে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি।
৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ আসলে অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়ার শট চলে যায় প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে। প্রথমার্ধে আরও কয়েকবার সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ১-০তে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হলে আবারও টানা আক্রমণে যায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৫১ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্ত। চলতি আসরে প্রথম জালের দেখা পান বিশ্বজয়ী লিওনেল মেসি।
এনজো ফের্নান্দেজের গোলমুখে শটে পা ছুঁইয়ে আসরে নিজের প্রথম গোলে নাম লেখান কিংবদন্তি। গোলের পর খানিকটা বিতর্ক হয়েছিল অফসাইড প্রসঙ্গে। জটলার মাঝে পা ছোঁয়ানোর সময় মেসি অফসাইডে ছিলেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে কানাডা। তবে ভিডিও দেখে গোল ঘোষণা দেন রেফারি।
তাতে ২০০৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন কোপা আমেরিকার আসরে গোলের দেখা পেয়ে যান ৩৭ বছর বয়সী মহাতারকা। মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় এটি মেসির ১৪তম গোল।
এরপর বেশ কয়েকবার আক্রমণে গেলেও আর কোনো গোলের দেখা পায়নি দুদলই। শেষপর্যন্ত দুই গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিওনেল স্কালোনির দল।









