সোমবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির নন্দনমঞ্চে শুরু হয় বিজয়ের অনুষ্ঠান। একাডেমির সংগীত, নৃত্য এবং আবৃত্তি বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংগীত ও নৃত্য আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক মেহজাবীন রহমান।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পীবৃন্দের সমবেত যন্ত্রসংগীত ‘দেশের গান’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর সমবেত সংগীত ‘ও আলোর পথযাত্রী’ এবং ম্যাশআপ (‘সবকটা জানালা’, ‘একবার যেতে দি না’, ‘বিপ্লবের রক্তে রাঙা’, ‘একতারা লাগে না আমার’ এবং ‘ও আমার দেশের মাটি’) পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কন্ঠশিল্পীবৃন্দ; একক আবৃত্তি ‘ছবি’ (আবু হেনা মোস্তফা কামাল) করেন মাহিদুল ইসলাম মাহি।
সমবেত নৃত্য ‘দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা’ পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন লায়লা ইয়াসমিন লাবণ্য এবং কণ্ঠ দিয়েছেন রোখসানা আক্তার রূপসা; একক সংগীত ‘যে মাটির বুকে’ ও ‘মাগো ভাবনা কেন’ পরিবেশন করেন পিয়াল হাসান।
সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা এবং ‘এসো বাংলাদেশের যত বীর জনতা’ ও ‘মোরা ঝঞ্জার মত উদ্দাম’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী ফাউন্ডেশন। একক সংগীত পরিবেশন করেন ফেরদৌস আরা; সমবেত নৃত্য ‘বিপ্লবী জনতা’ পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ, পরিচালনায় ছিলেন ইমন আহমেদ, সহযোগী নৃত্য পরিচালক হিসেবে ছিলেন জাহিদুল ইসলাম সানি, গীতিকার- কফিল উদ্দিন মাহমুদ, সুরকার- ফাহাল হোসাইন অন্তু, কণ্ঠ দিয়েছেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির কণ্ঠশিল্পীবৃন্দ, যন্ত্রসংগীতে ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পীবৃন্দ। একক আবৃত্তি করেন দি রেইন।
সবশেষে মঞ্চে ওঠে ব্যান্ডদল ‘আর্টসেল’ এবং ‘লালন’ । ব্যান্ড দুটি একে একে গেয়ে শোনান তাদের শ্রোতাপ্রিয় সব গান।









