প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আন্দোলনের নামে আবার শুরু হওয়া অগ্নিসন্ত্রাসের শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার (৯ নভেম্বর) গণভবনে তার ত্রাণ তহবিলের জন্য বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান গ্রহণের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি না এসব থেকে কে কতটা লাভবান হয়। তবে কিছু লোক, বিশেষ করে সাধারণ মানুষ এসব ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘুমন্ত কর্মীকে গাড়ির ভেতরে রেখেও বাসে আগুন দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি না কেন এমন ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।’
তিনি বলেন, অনেক মহল শেখ হাসিনার সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে নেয় না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একজন নারী হয়েও টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে দেশ পরিচালনা করছি। আমি সফলতার সাথে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পেরেছি। আমি দেশকে (আমূল) বদলে দিয়েছি। সবাই এটিকে (এই সাফল্য) ইতিবাচকভাবে দেখবে না।’
তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশের অগ্রগতি সবার কাছে দৃশ্যমান হওয়ায় সবাই এখন বাংলাদেশকে সম্মান করে।
তিনি বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশ ১৫ বছর আগে যা ছিল তার থেকে বদলে গেছে। এখন সবাই এটাকে সম্মান করে। বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশের অগ্রগতি সবার চোখে পড়ার মতো।’
প্রধানমন্ত্রী সবাইকে কাজ করতে বলেন, যাতে ভবিষ্যতে দেশের অগ্রগতির ধারা বজায় থাকে।
আসন্ন শীত মৌসুমে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও অন্যান্য গরম কাপড় বিতরণের জন্য এ অনুদান গ্রহণ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী অতীতের মতো আসন্ন শীত মৌসুমের আগেই তার ত্রাণ তহবিলের জন্য অনুদান দেওয়ার উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকস (বিএবি)কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি বৈদেশিক মুদ্রার ভালো রিজার্ভ বজায় রাখতে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি রোধ করতে এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার মতো পরিস্থিতির মধ্যে অর্থনীতিকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে বিএবির কাছে সহযোগিতা কামনা করেন।









