পারমাণবিক বোমা তৈরির জনক ওপেনহাইমারকে নিয়ে সিনেমা বানিয়েছেন ক্রিস্টোফার নোলান। মুক্তি পেয়েছে ২১ জুলাই। পুরো বিশ্বের বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে এই ছবি। প্রশংসা পেয়েছে চলচ্চিত্র সমালোচকদের। তবে নির্মাতা স্পাইক লি মনে করেন জাপানের পরিণতিও দেখানো উচিত ছিল ‘ওপেনহেইমার’-এ।
হলিউড নির্মাতা স্পাইক লি ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘সিনেমায় যদি জাপানের পরিণতিটাও দেখানো হতো, তবে ভালো হতো।’
তিনি আরও বলেন, ‘নোলান অনেক বড় নির্মাতা। এটা সমালোচনা নয়, মতামত। তিন ঘণ্টার ওপেনহেইমারের সাথে আরও কিছু মিনিট জুড়ে দিয়ে জাপানের মানুষের পরিণতিটাও দেখানো যেত। মানুষের দম বন্ধ হয়ে আসতো!’
নির্মাতা যোগ করেন, ‘এত বছর পরেও তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব রয়ে গেছে। নির্মাতার পাওয়ার ছিল না এমন তো নয়। তিনি স্টুডিওতে বললেই হতো। সিনেমার শেষে যদি জাপানে দুটি নিউক্লিয়ার বোমা ছোড়ার পরিণতি দেখানো হতো, তাহলে ভালো লাগতো।’
পারমাণবিক বোমা তৈরি ছিল ওপেনহেইমারের সেরা সাফল্য। ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ম্যানহাটন প্রজেক্টের অংশ হিসেবে চালায় পারমাণবিক বোমার সফল পরীক্ষা। ইতিহাসে যা ‘ট্রিনিটি টেস্ট’ হিসেবে পরিচিত। তবে নিজের সৃষ্টির প্রভাব নিয়ে অনুশোচনাও ছিল এই পদার্থবিদের। জাপানের মানুষের পরিণতি নিয়ে হতাশ ছিলেন ওপেনহাইমার।
জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর যে বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল তা এই বোমা তৈরির সময়ই অনুমান করেছিলেন ওপেনহাইমার, গীতার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘এখন আমি পরিণত হয়েছি সাক্ষাৎ মৃত্যুতে, বিশ্ব ধ্বংসকারীতে।’
পারমাণবিক বোমার জনককে ঘিরে নির্মিত বায়োপিক সিনেমা ‘ওপেনহাইমার’। ‘ওপেনহেইমার’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা সিলিয়ান মারফি।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস








