টানা তিন পরাজয়ে আসর শুরু করেছিল সিলেট স্ট্রাইকার্স। পরের দুটি ম্যাচে জিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেয়। তবে ছন্দ হারায় দ্রুতই। এরপর আর জয়ের মুখ দেখেনি চায়ের রাজ্যের দলটি। আসরে বিদায় নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। শেষ ম্যাচেও চিটাগং কিংসের কাছে হেরে গেছে আরিফুল হকের দল। সিলেটকে ৯৬ রানে হারিয়ে তৃতীয় দল হিসেবে আসরে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে চিটাগং।
টানা আট জয়ে সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে রংপুর রাইডার্স। পরে ফরচুন বরিশাল, দলটি ইতিমধ্যেই কোয়ালিফায়ারে খেলা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে চিটাগং। দলটির সামনে এখন কোয়ালিফায়ারে খেলার সুযোগ রয়েছে। লিগপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফরচুন বরিশালের। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের হারাতে পারলে রংপুরকে টপকে দুইয়ে উঠবে চিটাগং। রংপুরের ৮ জয়ে ১৬ পয়েন্ট, বরিশালকে হারালে চিটাগংয়ের পয়েন্টও হবে ১৬। তখন আগে থেকে রানরেটে এগিয়ে থাকা চিটাগং প্রথম কোয়ালিফায়ারে বরিশালের মুখোমুখি হবে।
মিরপুরে বৃস্পতিবার দিনের দ্বিতীয় খেলায় টসে জিতে চিটাগংকে আগে ব্যাটে পাঠায় সিলেট। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১৯৬ রান তোলে চিটাগং। জবাবে নেমে ১৫.২ ওভারে ১০০ রানে গুঁড়িয়ে যায় সিলেটের ইনিংস। টানা আট হারে টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ হল সিলেটের। ১২ ম্যাচে কেবল দুটিতে জয় পেয়েছে তারা।
আগে ব্যাটে নামা চিটাগংয়ের হয়ে ফিফটি করেছেন দুজন। এক চার ও পাঁচ ছক্কায় ৩০ বলে ৫২ রান করেন খাজা নাফি। তিন ছক্কা ও দুই চারে ৩৮ বলে ৫২ রান করেন মোহাম্মদ মিঠুন। শামীম হোসেন পাটোয়ারী ২৩ বলে ৩৮ রান করেন। শেষদিকে খালেদ আহমেদের ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে অপরাজিত ২৫ রান।
সিলেটের হয়ে তানজিম হাসান সাকিব ৩ উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নেন সামিউল্লাহ শেনওয়ারি ও রুয়েল মিয়া।
জবাবে নেমে ১৯ রানের বেশি ইনিংস খেলতে পারেননি সিলেট ব্যাটারদের কেউ। সর্বোচ্চ সংগ্রহটা আসে জাকির হাসানের ব্যাট থেকে, ১২ বলে। রনি তালুকদার ১২ বলে ১৭, জাকের আলি ২৩ বলে ১৭, নাহিদুল ইসলাম ১০ বলে ১৪ এবং আরিফুল হক ৯ বলে ১১ রান করেন। বাকিদের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
চিটাগংয়ের হয়ে বল হাতে দারুণ করেছেন শরিফুল ইসলাম ও খালেদ আহমেদ। শরিফুল ৩.২ ওভারে ৫ রান খরচায় ৪ উইকট এবং খালেদ ৩ ওভারে ৩১ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন। রাহাতুল ফেরদাউস নেন এক উইকেট।









