বিপিএল দ্বাদশ আসরের ফাইনালে তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরিতে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়েছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। পরে বল হাতে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে চেপে ধরেন বিনুরা ফের্নান্দো-হাসান মুরাদরা। ফলাফল, ৬৩ রানের বড় জয় নাজমুল হোসেন শান্তদের। চট্টগ্রামকে বিধ্বস্ত করে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে রাজশাহীকে আগে ব্যাটের আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রাম অধিনায়ক শেখ মেহেদী। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহ গড়ে রাজশাহী। জবাবে ১৭.৫ ওভারে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম।
রানতাড়ায় শুরু থেকেই চাপে পড়ে চট্টগ্রাম। সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন মির্জা তাহির বেগ। ৩৬ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ১ ছক্কার মার। ১৬ বলে ২১ রান করেন আসিফ আলি। ১১ রান করেন হাসান নাওয়াজ ও জাহিদুজ্জামান। বাকিদের কেউ দুঅঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
রাজশাহী বোলারদের মধ্যে বিনুরা ফের্নান্দো ৪ উইকেট নেন। হাসান মুরাদ ৩, জেমস নিশাম ২ ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন নেন ১ উইকেট।
এর আগে রাজশাহীকে উড়ন্ত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ তামিম। উদ্বোধনীতে ৮৩ রান তোলেন দুজনে। ১০.২ ওভারে ফারহান আউট হলে জুটি ভাঙে। ২ চার ও ১ ছক্কায় ৩০ বলে ৩০ রান করে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে আমের জামালের হাতে ক্যাচ দেন। তার আগে ২ চার ও ৬ ছক্কায় ২৯ বলে ফিফটি করেন তানজিদ।
দ্বিতীয় উইকেটে কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে তানজিদ তামিম যোগ করেন ৩২ বলে ৪৭ রান। ১৫.৪ ওভারে উইলিয়ামসন আউট হলে জুটি ভাঙে। ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ২৪ রান করেন নিউজিল্যান্ড কিংবদন্তি।
পরে জেমস নিশামকে সঙ্গী করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তানজিদ। ৬১ বলে শতক ছোঁয়া ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৭ ছক্কার মার। বিপিএলে তানজিদের তৃতীয় সেঞ্চুরি এটি। ২০২৪ আসরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে এবং ২০২৫ আসরে ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন। বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক এখন তানজিদ। উপরে কেবল ক্রিস গেইল। ৫টি সেঞ্চুরি করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি সাবেক।
১৮.৫ ওভারে দলীয় ১৬৩ রানে তানজিদের উইকেট হারায় রাজশাহী। ৬ চার ও ৭ ছক্কায় ৬২ বলে ১০০ রান করে মুগ্ধর বলে ক্যাচ দেন আমের জামালের হাতে। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন নিশাম। ৬ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন নিশাম। শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে শান্ত আউট হন ৭ বলে ১১ রান করে।
চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।









