যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সমস্ত আমদানির ওপর ১০৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার পর চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। উভয় দেশই কোনোভাবেই পশ্চাদপদ হতে রাজি নয়। চীন এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
আজ (৯ এপ্রিল) বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, চীন এই পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাকমেইল হিসেবে এখছে এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ট্রাম্প প্রথমে চীনা পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে বেইজিংও এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার পর, যুক্তরাষ্ট্র ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করার হুমকি দেয়। ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে আগে থেকে আরোপিত শুল্কসহ, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে চীনা পণ্যের ওপর মোট শুল্ক বৃদ্ধি ১০৪ শতাংশে পৌঁছেছে।
চীনের প্রতিক্রিয়া
মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লেইনের সঙ্গে এক ফোনালাপে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বলেছেন, তার দেশ সম্পূর্ণভাবে যেকোনো নেতিবাচক বাহ্যিক ঝুঁকি মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত।
এছাড়া তিনি ২০২৫ সালে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে স্থিতিশীল এবং সুস্থ অর্থনৈতিক উন্নয়ন বজায় রাখার বিষয়ে তার আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, চীনের মাক্রো অর্থনৈতিক নীতি এই বছর বিভিন্ন অনিশ্চয়তাকে পুরোপুরি বিবেচনা করে প্রণয়ন করা হয়েছে।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা বাণিজ্যিক মনোভাবকে তীব্রভাবে সমালোচনা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই একতরফা শুল্ক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নিয়মাবলীকে খর্ব করে। প্রোটেকশনিজম কোনো অবস্থাতেই লাভজনক নয়। প্রোটেকশনিজম কোথাও পৌঁছাতে পারে না। উন্মুক্ততা এবং সহযোগিতা হলো সবার জন্য সঠিক পথ।









