দুই দিনের টানা আলোচনা শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন আবারও বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি পুনরুজ্জীবিত করতে এক কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছেছে। লন্ডনে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর বুধবার এই ঘোষণা দেন দুই দেশের শীর্ষ বাণিজ্য আলোচকরা।
ইউপিআই জানিয়েছে, গত মাসে জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে যে ঐক্যমত্য হয়েছিল, তার ভিত্তিতে তৈরি এই কাঠামো এখন কার্যকর হতে পারবে কেবল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক বলেন, বিশ্বের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতি এখন একটি কাঠামোর জন্য করমর্দনে পৌঁছেছে। জেনেভায় যে ঐক্যমত্য হয়েছিল এবং ট্রাম্প-শির ফোনালাপ থেকে যে নির্দেশনা এসেছিল, তা বাস্তবায়নের দিকেই এগোচ্ছে দুই পক্ষ। তিনি আরও জানান, আমরা ফিরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলব এবং নিশ্চিত করব যাতে তিনি এটিকে অনুমোদন করেন। একইভাবে চীনা প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতি শির অনুমোদন নিশ্চিত করবেন। অনুমোদন মিললেই কাঠামো বাস্তবায়ন শুরু হবে।
চীনের উপ-বাণিজ্যমন্ত্রী লি চেংগাংও এক বক্তব্যে বলেন, ৫ জুন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের ফোনালাপ এবং জেনেভার বৈঠকে যে সমঝোতা হয়েছে, তা বাস্তবায়নের জন্য উভয় পক্ষই নীতিগতভাবে এক কাঠামোতে পৌঁছেছে।
চুক্তির বিস্তারিত শর্ত এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে হাওয়ার্ড লুটনিক জানান, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ শিথিল করতে উভয় পক্ষই একমত হয়েছে। এতে চীনের পক্ষ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিরল মৃত্তিকা খনিজ এবং চুম্বক রপ্তানির বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
বুধবারের ঘোষণার পরপরই এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। চীনের সিএসআই ৩০০ সূচক দশমিক ৭৭% বৃদ্ধি পায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে স্টক ফিউচার মূলত স্থির ছিল, কারণ বিনিয়োগকারীরা আলোচনার ফলাফলের অপেক্ষায় ছিলেন।









