তাইওয়ান ইস্যুকে কেন্দ্র করে চীনের সঙ্গে জাপানের উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, যা এখন বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সঙ্কটে রূপ নিয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির তাইওয়ান সম্পর্কে মন্তব্যের পর চীন জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায়। একইসঙ্গে বেইজিং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাইওয়ান নিয়ে জাপান সামরিক হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলে তা ‘আক্রমণ’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
উত্তেজনা কেবল কূটনৈতিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকেনি, দ্রুত তা বাণিজ্যযুদ্ধে রূপ নিয়েছে। চীন জাপানের পর্যটন খাতকে লক্ষ্য করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং জাপানি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত চীনা ছাত্রদের বিষয়ে সতর্কতা দিয়েছে। পাশাপাশি কিছু জাপানি চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী স্থগিত করা হয়েছে এবং জাপান থেকে সীফুড আমদানি বন্ধ করেছে বেইজিং।
ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে চীন–জাপান সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে দুই দেশ পরস্পরের প্রতি গভীর সন্দেহ পোষণ করে আসছে, বিশেষ করে তাইওয়ান ও সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা ইস্যুতে।
বাণিজ্যের দিক থেকেও পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। চীন জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার, যেখানে বেইজিং প্রতি বছর প্রায় ১২৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। বর্তমান উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে দুই দেশের জন্যই তা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর হতে পারে।









