টাঙ্গাইলের নাগরপুরে তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় জাহিদ হাসান ঝলক নামের এক ছাত্রলীগ নেতা খুন হয়েছেন। এ সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষে রানা নামের আরও একজনের আহত হবার খবর পাওয়া গেছে।
সোমবার (১৮ মার্চ) রাত ১০ টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাহিদ খান ঝলক উপজেলার সলিমাবাদের সামিনুরের ছেলে ও ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
সলিমাবাদ ইপি চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম অপু জানান, নিহত ঝলক সোমবার রাতে তারাবির নামাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। এসয় প্রতিপক্ষ রফিকুলের ছেলে রানা ও তার ভাই আকাশ দলবল নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তার উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমন করে। এসময় তারা ঝলককে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে আহত ঝলকের চিৎকারের লোকজন এগিয়ে এলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে ওই পক্ষের রানা নামের একজন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা ঝলককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, ঝলক ও রানা পক্ষের মধ্যে আগেও একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়ভাবে মীমাংসা না হওয়া মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছে বলেও তিনি জানান। তার দাবি, দেড় দুই বছর আগে ফেসবুকের পোস্টকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে শত্রুতার সূত্রপাত ও তা থেকেই এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা থেকে এ মর্মান্তিক ঘটনা।
এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম জসিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঝলকের সাথে গ্রাম্য সালিশকে কেন্দ্র প্রতিপক্ষের কাটাকাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই ছাত্রলীগ নেতা খুন হতে পারে। এ বিষয়ে হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন ও দায়িদের আটকে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।







