তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রাইজবন্ড–সংক্রান্ত পুরস্কার, ক্রয় ও বিক্রয়ের তথ্য এখন থেকে সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এ–সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাইজবন্ডের পুরস্কার ও ক্রয়–বিক্রয় বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব নথি ও তথ্য তফসিলি ব্যাংকগুলোই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পাঠাবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো গ্রাহকের সঙ্গে সরাসরি লেনদেনে যুক্ত থাকবে না। আগে এসব কাগজপত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেই সংগ্রহ করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করত; নতুন ব্যবস্থায় সেই দায়িত্ব তফসিলি ব্যাংকের ওপর দেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, সঞ্চয়পত্র বিক্রির দায়িত্বও এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিবর্তে তফসিলি ব্যাংকগুলো পালন করবে।
চলতি মাসের শুরুতেই বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের সব শাখায় সঞ্চয়পত্র–প্রাইজবন্ড বিক্রি, ক্ষতিগ্রস্ত নোট বদল এবং অটোমেটেড চালান–সংশ্লিষ্ট সেবা বন্ধ করেছে। ফলে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল ও রংপুর শাখায় আর এসব সেবা পাওয়া যাবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিশ্বের কোথাও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি জনগণকে এসব সেবা দেয় না। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক ‘কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন (কেপিআই)’ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় নিরাপত্তার কারণেও সেবা বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এসব কার্যক্রম বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।









