যৌতুক চেয়ে নির্যাতনের অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় শেখ মোরসালিনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বুধবার ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মোরসালিনের স্ত্রী সেঁজুতি বিনতে সোহেল বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আসামি শেখ মোরসালিনকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সেঁজুতি বিনতে সোহেলের আইনজীবী ইশফাকুর রহমান গালিব বলেন, প্রেমের সম্পর্কের পর শেখ মোরসালিনের সঙ্গে সেঁজুতির বিয়ে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আসামি বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না। আসামি বাদীর কাছে গাড়ি কেনার জন্য ২০ লাখ টাকা যৌতুকও দাবি করেছেন। বাদী ন্যায়বিচারের জন্য আদালতে এসেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গতবছরের ২৯ নভেম্বর শেখ মোরসালিনের সঙ্গে সেঁজুতি বিনতে সোহেলের ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকেই মোরসালিন তার কাছে গাড়ি কেনার জন্য ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। একপর্যায়ে যৌতুকের জন্য সেঁজুতিকে মানসিকভাবে চাপ প্রয়োগ, এমনকি নির্যাতনও করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গতবছরের ১০ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে সেঁজুতির বাবার সাভারের বাসায় যান মোরসালিন। তখন এই ফুটবলারের জন্য রাতের খাবারের ব্যবস্থা করতে গিয়েছিলেন সেঁজুতি। এরমধ্যেই মোরসালিন বলে উঠেন, ‘আমি খাবার খেতে আসিনি, যৌতুকের ২০ লাখ টাকা নিতে এসেছি।’ তখন সেঁজুতির বাবা–মা মোরসালিনকে অনুরোধ করে বলেছিলেন ২০ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই তাদের। এ কথা শোনার পর মোরসালিন উল্টো তাদের গালাগালি এবং হুমকি–ধমকি দিতে থাকেন।









