রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে হারিয়ে আসর শুরু করেছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। পরে আর জয়ের স্বাদ পায়নি। সিলেটে মোস্তাফিজুর রহমানের কাটারে পরাস্ত হয়েছে ঢাকা। শেষ ওভারের লড়াইয়ে সাব্বির হোসেন ও মোহাম্মদ মিঠুনকে পরাস্ত করে রংপুর রাইডার্সকে ৫ রানের জয় এনে দিয়েছেন তারকা বাঁহাতি পেসার। আসরে তৃতীয় জয়ের দেখা পেল রংপুর, টানা তৃতীয় হার দেখল ঢাকা।
শেষ ওভারে জিততে ঢাকার লাগতো ১০ রান। ক্রিজে ছিলেন মিঠুন ও সাব্বির। মোস্তাফিজ ওভারে দুটি ডট আদায় করেন। পাশাপাশি কোন বাউন্ডারিও হজম করেননি। মাত্র ৪ রান খরচায় রংপুরের জয় নিশ্চিত করেন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে রংপুর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ১৫৫ রানের সংগ্রহ গড়ে। জবাবে ৪ উইকেটে ১৫০ রানে থামে ঢাকার ইনিংস।
আগে ব্যাটে নামা রংপুরের শুরুটা ভালো হয়নি। ৩০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। চতুর্থ উইকেটে ডেডিড মালান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জুটিতে চাপ সামলে ওঠে। ৭৪ রানের জুটি গড়েন দুজনে। দলীয় ১০৪ রানে মালান ফিরে যান, ৩৩ বলে ৩৩ রান করে। দলীয় ১২৮ রানে মাহমুদউল্লাহ আউট হন, ৪১ বলে ৫১ রান করে। নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে ১৫৫ রানে পৌঁছান খুশদিল শাহ। ২১ বলে ৩৮ রান করেন খুশদিল। সোহান ৭ বলে ৭ রান করেন।
ঢাকার হয়ে জিয়াউর রহমান ২ উইকেট নেন। ইমাদ ওয়াসিম, তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নেন একটি করে উইকেট।
জবাবে ঢাকাকে ভালো শুরু এনে দেন আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রহমানুল্লাহ গুরবাজ। উদ্বোধনীতে ৩৮ বলে ৫৪ রান তোলেন দুজনে। ২২ বলে ৩১ রান করে গুরবাজ ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ৪ রান যোগ করতে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বুড়িগঙ্গা তীরের দলটি। ১৮ বলে ২০ রান করে আউট হন মামুন।
তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসান ও মোহাম্মদ মিঠুন মিলে যোগ করেন ৫৩ রান। দলীয় ১১১ রানে সাইফ ফিরে যান ২৪ বলে ১৫ রান করে। ১৩৩ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ঢাকা। শামীম হোসেন পাটোয়ারী ফেরেন ১০ বলে ১১ রান করে। সাব্বির হোসেন ও মিঠুন ইনিংসের শেষ পর্যন্ত লড়েন। মিঠুন ৩৮ বলে ৫৬ রান করেন। সাব্বির ৮ বলে ১২ রান করেন।
রংপুরের হয়ে একটি করে উইকেট নেন কাইল মেয়ার্স, আলিস আল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ও খুশদিল শাহ।









