ভারতের মাটিতে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকে ছন্দে ছিলেন না লিটন দাস। চলতি বিপিএলে শুরুটা ভালো ছিল না অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে জায়গা পাননি। বাদ পড়ার দিনেই ফেরার বার্তা দিয়েছেন রেকর্ড গড়ে। বিপিএল ইতিহাসে বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরি করেছেন ডানহাতি ব্যাটার। ৪৪ বলে শতকের দিনে বলেছেন, দুঃসময়ে তিনি পাশে পেয়েছেন স্ত্রী ও শাহীনকে।
ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে এবারের বিপিএলে প্রথম ম্যাচে লিটনের ব্যাটে ৩১ রান আসলেও পরের তিন ম্যাচে পারেননি দুঅঙ্কের ঘরে যেতে। সেঞ্চুরির আগের ম্যাচে ৭৩ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে দিয়েছিলেন ফেরার বার্তা। তারপর ৫৫ বলে অপরাজিত ১২৫ রানের ইনিংস খেললেন ১০ চার ও ৯ ছক্কায়। যাতে ভর আসরে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে ঢাকা।
সেঞ্চুরির পর স্ত্রী সঞ্চিতা দাসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন লিটন। বলেছেন, ‘প্রথমে যেটা বললেন যে ওয়াইফ তো সবার ক্ষেত্রে। সবার ওয়াইফ তো সবাইকে সাপোর্ট করে। এইদিক থেকে কমতি কখনই ছিল না।’
সঙ্গে আরও একজনকে ধন্যবাদ জানান লিটন। তিনি শাহীন। লিটন তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের দলে একজন টিম বয় আছেন, তিনিও অনেক অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। ফলে শাহীনকেও অনেক ধন্যবাদ।’
‘শাহীনের কথাটা যেটা বলব, টিমে কাজ করছেন আমাদের হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে। শেষ তিন-চার বছর কুমিল্লার সঙ্গে ছিল। আমার খেলাটাও দেখছে। জিনিসটা এমন না যে বয় দেখে খেলাটা বুঝবে না। যারা কন্টিনিউ অনুশীলন করায়, তারাও ছোট ছোট তথ্য দিতে পারে। তাদের ওইটুকু ধারণা থাকে যে, একটা ব্যাটসম্যানের কোথায় ভুল হচ্ছে বা কী হচ্ছে।’
‘প্র্যাকটিক্যালি জিনিসটা যে একটা মানুষ যখন অনুশীলন করায়, তখন ছোট ছোট জিনিস ধরতে পারে। আমি শেষ কয়েকদিন ধরে তার সঙ্গে অনুশীলন করেছি, আমাকে অনেক হেল্প করেছে। ওর কয়েকটা কথাবার্তায় আমার কিছু জিনিস চেঞ্জ করলে আমার জন্য ভালো হতে পারে। ওইটুকুই। এরজন্য ওকে ধন্যবাদ দিলাম। প্রত্যেকটা কোচই যে আমাকে হেল্প করবে বিষয়টা তা না। যেকোনো মানুষই একটা হেল্প করতে পারে। যদি আমার কাছে মনে হয় এটা নেয়ার মতো। ধন্যবাদ।’









