আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে গড়াতে চলেছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানে হাইব্রিড মডেলে হবে আসর। বাংলাদেশ বৈশ্বিক আসরটিতে যাত্রা শুরু করবে আরব আমিরাত থেকে। দুবাইতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে যাবে পাকিস্তানে। রাওয়ালপিন্ডিতে স্বাগতিক দল এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ গ্রুপপর্বে। দুই কন্ডিশনে ম্যাচ হওয়াতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ দেখছেন জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।
বিপিএলে বৃহস্পতিবার নিজেদের ১১তম ম্যাচ খেলবে মেহেদী হাসান মিরাজের দল খুলনা টাইগার্স। প্লে-অফে খেলার দৌড়ে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প নেই তাদের। আগেরদিন মিরপুর একাডেমি মাঠে দলটির অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন মিরাজ। সেখানে প্রসঙ্গক্রমে আসে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কথাও।
দুটি কন্ডিশনেই আগে খেলেছে বাংলাদেশ। দুবাইয়ে ২০১৮ সালের এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলেছিল টিম টাইগার্স। যদিও শিরোপা জেতা হয়নি। স্বাভাবিকভাবে দুবাইয়ের আবহাওয়াটা গরম, সেখানে মানিয়ে নেয়াও কিছুটা চ্যালেঞ্জিং। মিরাজ বললেন, ‘দুইটা দুইরকম কন্ডিশন। দুবাইয়ে আমরা যেখানে খেলেছিলাম, যেটা বললেন ২০১৮ সালে ফাইনাল খেলেছিলাম ভারতের সঙ্গে। ওখানে একটু কন্ডিশনটা অন্যরকম। উইকেটটা অন্যরকম থাকে, ওয়েদার একটু গরম থাকবে, উইকেট অনেক সময় বোলিংও এডভান্টেজ থাকে, ব্যাটিংও থাকে।’
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাকি দুই ম্যাচ খেলবে রাওয়ালপিন্ডিতে। যেখানে কদিন আগে পাকিস্তানকে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে। তাই রাওয়ালপিন্ডি নিয়ে আশাবাদী মিরাজ। বলেছেন, ‘আমরা জানি এখানের কন্ডিশন কেমন, যেটা বললেন রাউয়ালপিন্ডি। অবশ্যই এটা আমাদের জন্য এটা বড় একটা সুযোগ থাকবে। যেহেতু আমরা পাকিস্তানে দুটা টেস্ট ম্যাচ একই মাঠে খেলেছি। ওই কন্ডিশনটা আমরা জানি, ওখানে উইকেটটা কীরকম আছে। এটা একটা বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেবে প্রত্যেকটা খেলোয়াড়কে। বিশেষ করে আমাকে অনেক আত্মবিশ্বাস দেবে যেহেতু আমি ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছিলাম ওখানে। উইকেট অনেক ভালো থাকবে। অনেক চ্যালেঞ্জিং থাকবে বোলারদের জন্য। অবশ্যই আমরা বোলাররা ওটা চিন্তা করবো যে কীভাবে ওখানে ভালো করতে পারি।’
সবশেষ মিরাজ জানালেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজের স্বপ্নের কথা। টাইগার অলরাউন্ডার আশাবাদী বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেলবে। বলেছেন, ‘আমরা তো খেলেছিলাম ২০১৭ সালে সেমিফাইনাল ইংল্যান্ডে। অবশ্যই আশা করি যে সেমিফাইনাল খেলবো।’









