ইয়াসির আলি রাব্বির ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে দুইশর কাছাকাছি সংগ্রহ গড়েছিল দুর্বার রাজশাহী। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ফাহিম আশরাফ ঝড়ে সেটি টপকে গেছে ফরচুন বরিশাল। ৪ উইকেটে রাজশাহীকে হারিয়ে আসর শুরু করেছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বরিশাল।
এবারের আসরে উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে রাজশাহীকে আগে ব্যাটে আমন্ত্রণ জানায় বরিশাল। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১৯৭ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী। জবাবে ১৮.১ ওভারে ৪ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরের নোঙর করে বরিশাল।
বরিশালের শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসের প্রথম বলে নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারায় দলটি। জিসানের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে শান্ত ফিরে যান খালি হাতে। অধিনায়ক তামিম ইকবালও টিকে থাকতে পারেননি। দ্বিতীয় ওভারে ফিরে যান তাসকিনের শিকার হয়ে। ৫ বলে ৭ রান করে। ৩০ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বরিশাল। কাইল মেয়ার্সকে দ্বিতীয় শিকার বানান তাসকিন। ৫ বলে ৬ রান করেন ক্যারিবীয় ব্যাটার।
দলীয় ৫১ রানে মুশিফকুর রহিম ফিরে যান ১১ বলে ১৩ রান করে। একপ্রান্ত আগলে রাখা তাওহীদ হৃদয় ফিরে যান ২৩ বলে ৩২ রান করে। ৬১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর শাহীন শাহ আফ্রিদিকে নিয়ে হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২৫ বলে ৫১ রানের জুটি গড়েন দুজনে। ১২.২ ওভারে শাহীনকে তৃতীয় শিকার বানান তাসকিন।
১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বরিশাল। দ্রুতই চাপ কাটিয়ে তোলেন মাহমুদউল্লাহ ও ফাহিম আশরাফ। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাতিয়ে তোলেন মাঠ। দুজনের অপ্রতিরোধ্য ব্যাটিংয়ে ১১ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় বরিশাল।
ফাহিম ও মাহমুদউল্লাহ ফিফটি পেয়েছেন। মাহমুদউল্লাহ পাঁচটি চার ও চারটি ছক্কায় ২৬ বলে ৫৬ এবং ফাহিম একটি চার ও সাত ছক্কায় ২১ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
রাজশাহীর হয়ে তাসকিন ৩টি উইকট নেন। হাসান মুরাদ নেন ২টি উইকেট।
এর আগে ব্যাটে নেমে রাজশাহীর শুরুটাও ভালো হয়নি। দ্বিতীয় ওভারে জিসান আলমের উইকেট হারায় তারা। শূন্য রানে কাইল মেয়ার্সের শিকার হন তিনি। ২৫ রানে আরেক ওপেনার মোহাম্মদ হারিসের উইকেট হারায় রাজশাহী। পাকিস্তান ওপেনার ১২ বলে ১৩ রান করেন। পরে হাল ধরেন বিজয় ও রাব্বি।
৮৭ বলে ১৪০ রানের জুটি গড়েন দুজনে। ১৭.৪ ওভারে দলীয় ১৬৫ রানে বিজয় ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কায় ৫১ বলে ৬৫ রান করেন রাজশাহী অধিনায়ক। রায়ান বুর্লকে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন ইয়াসির।
সাতটি চার ও আট ছক্কায় ৪৭ বলে ৯৪ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন ইয়াসির। টি-টুয়েন্টিতে তার আগের সর্বোচ্চ ছিল ৭৮ রান। শেষদিকে তাকে সঙ্গ দেয়া রায়ান বুর্ল ৮ বলে ৯ রান করেন।
বরিশালের হয়ে কাইল মেয়ার্স ১৩ রানে ২ উইকেট নেন। ফাহিম আশরাফ নেন এক উইকেট।









