বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১টি আসর শেষ হলেও বিতর্ক শেষ হয়নি। প্রতি মৌসুমেই নানাবিধ কারণে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়োজিত ফ্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টকে। ১২তম আসর শুরুর আগে অবশ্য বিতর্ক এড়াতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বোর্ড। পরবর্তী আসরকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্নভাবে আয়োজন করতে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বিসিবি।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে গড়াবে দ্বাদশ বিপিএল আসর। পাঁচ মাসের কম সময় হাতে আছে, তাই তড়িঘড়ি করেই কাজ শুরু করে দিয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। তারা বিপিএলের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে কাজ শুরু করতে চান আগামী সপ্তাহ থেকে।
বৃহস্পতিবার বিসিবির আয়োজিত বোর্ড পরিচালকদের সভার পর সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম। বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টে স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণটা আরও ইনক্লুসিভ করার জন্য আগামী সপ্তাহ থেকে বিপিএল সম্পর্কে একটা ধারণা নিতে চাই বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার থেকে।’
বিভিন্ন মিডিয়া হাউজের সাংবাদিকদের সঙ্গে একটাপরামর্শমূলক সভা করব। ক্রিকেটার, কোচ ও টেকনিক্যাল স্টাফ নিয়ে হবে আরেকটা গ্রুপ। আগের ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্ণধার, বিসিবির সঙ্গে যাদের কোনো ঝামেলা নাই তাদের সঙ্গেও আলোচনা করব।’
‘আমরা স্পন্সর ও কমার্শিয়াল পার্টনারদের সঙ্গেও আলোচনায় বসব। একটা আবেদন প্রক্রিয়া করে সমর্থকদেরও সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করব। যেখানে আমরা বোঝার চেষ্টা করব, ভক্তরা কী কী দেখতে চায়।- যোগ করেন মাহবুব আনাম।
চলতি বছরের অক্টোবরের শুরুর দিকে হবে বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট। সে লক্ষ্যে আগস্টের শেষ বা সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিপিএলের জন্য নতুন মডেল পাবেন বলে আশা করছেন তিনি।
তাছাড়া আগস্টে মিডিয়া স্বত্ব, ডিজিটাল স্বত্ব ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ঠিক করার প্রক্রিয়ায় যাবে গভর্নিং কাউন্সিল। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকের মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়োগ শেষ করতে চান তারা। সেই লক্ষে পাঁচ বছরের জন্য দেওয়া হবে ফ্র্যাঞ্চাইজি স্বত্ব। আর তা আরও পাঁচ বছরের জন্য নবায়নের সুযোগও রয়েছে।









