অনেকটা সাদামাটা আয়োজনে পর্দা উঠেছে বিপিএলের দশম আসরের। তবে আগ্রহের কমতি নেই দর্শকদের। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতি লক্ষণীয়। কুমিল্লার ইনিংসের শেষদিকে তাদের আনন্দে মাতিয়েছেন দুর্দান্ত ঢাকার শরীফুল ইসলাম। ইনিংসের শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করেছেন টাইগার পেসার।
২০তম ওভারে আসরের প্রথম হ্যাটট্রিক তুলে নেন শরীফুল। শেষ ওভারের প্রথম বলটি ছিল ডট। পরের দুই বলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের পাকিস্তানি ব্যাটার খুশদিল শাহ দুটি ছক্কা হাঁকান। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হ্যাটট্রিকের স্বাদ নেন শরিফুল। পরের তিন বলে একে একে ফেরান খুশদিল শাহ, রোস্টন চেজ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে।
২০১২ সালে বিপিএল শুরুর পর সপ্তম হ্যাটট্রিক এটি। শরীফুলের আগে হ্যাটট্রিক করেছেন মোহাম্মদ শামি (২০১২), আল আমিন হোসেন (২০১৫), এলিস ইসলাম (২০১৯), ওয়াহাব রিয়াজ (২০১৯), আন্দ্রে রাসেল (২০১৯) ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ২০২২ আসরে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে টসে জিতে গতবারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লাকে ব্যাটে পাঠায় দুর্দান্ত ঢাকা। ১৮তম ওভার পর্যন্ত এক উইকেট হারালেও ধীর গতিতে রান তুলেছে তারা। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান করে কুমিল্লা।
আসরে কুমিল্লার নেতৃত্ব পাওয়া লিটন দাস ওপেনিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ভুগেছেন। শেষপর্যন্ত তাকে মুক্তি দেন লঙ্কান স্পিনার চতুরাঙ্গা ডি সিলভা। নাঈম শেখের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে ১ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ বলে ১৩ রান করেন। লিটনের বিদায়ের পর হাল ধরেন তাওহীদ হৃদয় ও ইমরুল। দুজনের ১০৭ রানের জুটিতে শক্ত ভিত পায় কুমিল্লা।
হৃদয় ফিফটি মিসের (৪১ বলে ৪৭ রান) হতাশা নিয়ে ফিরলেও চলতি আসরের প্রথম ফিফটি হাঁকিয়েছেন ইমরুল কায়েস। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে কুমিল্লাকে টেনে নিয়ে গেছেন তিনি। তাসকিন আহমেদের বলে শরীফুলকে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৫৬ বলে করেছেন ৬৬ রান।
১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে ফিফটি মিসের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়েন তাওহীদ হৃদয়। ১ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ বলে ৪২ রান করে ফিরে যান তাসকিনের শিকার হয়ে। ওভারের শেষ বলে ইমরুলকে ফেরান তাসকিন। ৬টি চার ও দুটি ছক্কায় ৫৬ বলে ৬৬ রান করেন কায়েস। পরে শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক তুলে নেন শরীফুল।
ঢাকার হয়ে শরীফুল তিনটি, তাসকিন দুটি ও সিলভা একটি করে উইকেট নেন।







