বিপিএলের পর্দা নামতে বাকী আর মাত্র একদিন। শুক্রবার ফাইনাল দিয়ে শেষ হবে আসর। ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হবে ফরচুন বরিশাল। কোয়ালিফায়ারে দুটি দলই হারিয়েছে রংপুর রাইডার্সকে। বরিশাল অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ তৃতীয়বারের মত ফাইনাল খেলতে চলেছেন। আগের দুবার ট্রফি স্পর্শ করা না হলেও এবার আক্ষেপ ঘোচাতে। বরিশালের হয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন টাইগার অলরাউন্ডার।
বিপিএলে এর আগে দুবার ফাইনাল খেলেছেন মিরাজ। দুটি ফাইনালেই তার হেরে যায়। ২০১৬ সালে প্রথমবার রাজশাহী কিংসের ফাইনালে খেলেন মিরাজ। সেবার ঢাকা ডায়নামাইটসের কাছে হেরে শিরোপা বঞ্চিত হয় তারা। ২০১৯-২০ আসরে দ্বিতীয়বার ফাইনালে খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলেন মিরাজ। সেবার রংপুরের কাছে হেরে যায় তার দল।
শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাতটায় শিরোপার মহারণে নামবে কুমিল্লা ও বরিশাল। তার আগের দিন বৃহস্পতিবার রাজধানীর আহসান মঞ্জিলে ট্রফির সঙ্গে ফটোসেশন সেরে নিয়েছে দুই দলের দুই প্রতিনিধি।
বরিশালের প্রতিনিধি হয়ে এসেছিলেন মিরাজ। ফটোসেশন শেষে জানিয়েছেন শিরোপা না জেতার আক্ষেপ ঘোচানোর কথা। বলেছেন, ‘কখনো বিপিএলে ট্রফি জেতেনি। যদি চ্যাম্পিয়ন হতে পারি, এবারই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হব। এর আগে দুবার ফাইনাল খেলেছি, এটা নিয়ে তৃতীয়বার হবে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই খেলব। সবাই চায় চ্যাম্পিয়ন হতে, কুমিল্লাও চায়। মাঠে যারা ভালো খেলবে, তারাই জিতবে।’
২০২২ আসরের ফাইনালে বরিশালকে ১ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা। সেই ম্যাচটি কথা স্মরণ করিয়ে জমজমাট ফাইনালের আশা করছেন বরিশাল অলরাউন্ডার। বলেছেন, ‘ক্রিকেট এমন একটা খেলা, যেদিন যারা ভালো খেলবে তারা জিতবে। এর আগেও বরিশাল-কুমিল্লা ফাইনাল হয়েছে, সেবার বরিশাল ১ রানে হেরেছে। আশা করছি, আবার ভালো একটা ম্যাচ হবে, সবাই উপভোগ করবে।’
চলতি বিপিএলে দারুণ খেলছে কুমিল্লা। লিগপর্বে দু’দলের মুখোমুখিতে সমানে সমান কুমিল্লা-বরিশাল। প্রথম লেগে কুমিল্লা জয় পেলেও দ্বিতীয় লেগে হেরে যায় বরিশালকে। তবে কুমিল্লাকে বড় দল হিসেবেই মানছেন মিরাজ।
‘কুমিল্লা সব সময়ই অনেক বড় দল, তারা অনেক ভালো দল সব সময়ই গড়ে। প্রতিপক্ষ হিসেবে চ্যালেঞ্জিং হবে, সহজ হবে না। দুই দলের খেলাটা ভালো হবে। কারণ, আমাদের দলও অনেক শক্তিশালী। আমাদের দলেও অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে, দেশের বাইরে যারা আছে, তারাও খুব ভালো খেলোয়াড়।’
গতবার বিপিএল ফাইনালের ট্রফি প্রদর্শনী হয়েছিল মেট্রোরেলে, এবার আহসান মঞ্জিলে। বিসিবির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মিরাজ, ‘এটা বিশাল বড় একটা ব্যাপার। এর মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। দিনে দিনে আমাদের ঐতিহ্যকে মানুষ ভুলে যাচ্ছে, নতুন প্রজন্ম অনেক কিছুই জানছে না। এর মাধ্যমে হয়তো মানুষ নতুন করে জানছে। ভালো লাগার বিষয়।’







