বিপিএল দশম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স থেকে হারিয়ে শুরু করেছিল দুর্দান্ত। দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই থেমে যায় রাজধানীর দলটির জয়রথ। হারের বৃত্ত থেকে আর বেরুতে পারেনি। আসরে নিজেদের শেষ ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে হেরেছে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দল। ১০ রানে ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফের আশা জিইয়ে রাখলো চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক শুভাগত হোম। নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৫৯ রানের সংগ্রহ গড়ে তারা। জবাবে ৫ উইকেটে ১৪৯ রানে থামে ঢাকার ইনিংস।
জয়ে খুলনা টাইগার্সকে পেছনে ঠেলে পয়েন্ট টেবিলের চারে এসেছে চট্টগ্রাম। ১১ ম্যাচে ৬ জয়ে তাদের পয়েন্ট ১২। অন্যদিকে ১০ ম্যাচে পাঁচ জয়ে পাঁচে খুলনা। আর দুর্দান্ত ঢাকা আসর শেষ করেছে মাত্র ১টি জয় নিয়ে।
সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চত করেছে রংপুর রাইডার্স। ১০ ম্যাচে ৮ জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে টেবিলের শীর্ষে। একম্যাচ কম খেলে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ১০ ম্যাচে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে বরিশাল। সমান ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে সিলেট।
আগে ব্যাটে নেমে চট্টগ্রামের ব্যাটারদের ব্যর্থতার মাঝে আলো ছড়িয়েছেন কেবল দুজন- তানজিদ হাসান তামিম ও টম ব্রুস। ছয়টি ছক্কা ও এক চারে ৫১ বলে ৭০ রান করেন এই ওপেনার। তিনটি চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ বলে ৪৮ রান করেন ব্রুস। বাকীদের মধ্যে দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছেছেন কেবল জস ব্রাউন। ১৪ বলে ১১ রান করেন তিনি।
ঢাকার হয়ে শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ নেন দুটি করে উইকেট। মোসাদ্দেক ও শন উইলিয়ামস নেন একটি করে।
রান তাড়ায় নেমে এদিনও ব্যর্থ হয়েছেন ঢাকার ব্যাটাররা। সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেছেন অ্যালেক্স রোস। ৪৪ বলের ইনিংসটিতে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কার মার। মোহাম্মদ নাঈম শেখ করেছেন ৩৫ বলে ২৯ রান। এছাড়া শেষের দিকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১৮ বলে ২৯ রান ও ইরফান শুক্কর ৮ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
চট্টগ্রামের হয়ে শুভাগত হোম নেন দুটি উইকেট। বিলাল খান, সালাউদ্দিন শাকিল ও শহিদুল ইসলাম নেন একটি করে উইকেট।







