কাজের কাজটা আগেই করে দিয়েছেন ফরচুন বরিশালের বোলাররা। খালেদ-মিরাজদের দাপুটে বোলিংয়ে স্বল্প রানেই আটকায় রংপুর রাইডার্সের ইনিংস। এরপর বাকী কাজটা সম্পন্ন করেন ব্যাটাররা। সাকিব-সোহানদের বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে আসর শুরু করেছে তামিমের বরিশাল।
শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে রংপুরকে ব্যাটে পাঠান বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেটে ১৩৪ রানে থামে রংপুর। জবাবে নেমে ১৯.১ ওভারে ৫ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে বরিশাল।
রংপুরের দেয়া লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হয় বরিশালের। উদ্বোধনী জুটিতে ৩২ রান তোলেন তামিম ইকবাল ও ইব্রাহিম জাদরান। রংপুরকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন সাকিব আল হাসান। ৪.২ ওভারে ১৬ বলে ১২ রান করা জাদরানকে ফেরান সাকিব। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ৩৪ রান তোলেন তামিম।
৭.৪ ওভারে মোহাম্মদ নবীর বল এগিয়ে খেলতে গিয়ে স্ট্যম্পিংয়ের শিকার হন তামিম। পাঁচটি চার ও এক ছক্কায় ২৪ বলে ৩৫ রান করেন ড্যাশিং ওপেনার। তামিম ফেরার পর ক্রিজে এসেই ফিরে যান সৌম্য সরকার। ২ বলে ১ রান করে নবীর হাতে ক্যাচ দিয়ে শিকার হন হাসান মুরাদের।
১২.৩ ওভারে দলীয় ৯৪ রানে মিরাজ ফিরে যান মুরাদের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। একটি করে চার ও ছক্কায় ১৮ বলে ২০ রান করেন। ১৬.৪ ওভারে দলীয় ১১৩ রানে নিজের দ্বিতীয় শিকার তুলে নেন সাকিব। মুশফিকুর রহিমকে ফেরান সরাসরি বোল্ড করে। দুই চারে ২৭ বলে ২৬ রান করেন মুশফিক। এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও শোয়েব মালিক ইনিংসের পাঁচ বল বাকী থাকতে বরিশালকে পৌঁছান জয়ের বন্দরে। মাহমুদউল্লাহ ১১ বলে ১৯ রানে ও শোয়েব ১৮ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
রংপুরের হয়ে সাকিব ও হাসান মুরাদ দুটি করে এবং নবী নেন এক উইকেট।
এর আগে রংপুরকে ব্যাটে পাঠিয়ে ইনিংসের প্রথম বলেই ব্র্যান্ডন কিংকে ফেরান মোহাম্মদ ইমরান। দ্বিতীয় ওভারে জোড়া আঘাত হানেন খালেদ আহমেদ। ফেরান রনি তালুকদার ও সাকিব আল হাসানকে। ৭ বলে ৫ রান করেন রনি, আর সাকিব করেন ৩ বলে ২ রান।
১৫ রানে তিন ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়ে রংপুর। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে ফেরান দুনিথ ওয়েল্লাগে। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৩৪ রান তোলেন নুরুল হাসান সোহান ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ১০ম ওভারের শেষ বলে সোহানকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন শোয়েব মালিক। দুই ছক্কায় ২৩ বলে ২৩ রান করেন সোহান।
১৪তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ৮৬ রানে ১২ বলে ১০ রান করা মোহাম্মদ নবীকে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৬তম ওভারে শামীমকে সরাসরি বোল্ড করেন মিরাজ। ৩৩ বলে ৩৪ রান করেন শামীম।
ইনিংসের শেষ ওভারে দলীয় ১২৬ রানে জোড়া উইকেট শিকার করেন খালেদ। প্রথম বলে ফেরান ১৯ বলে ২৯ রান করা মেহেদী হাসানকে। পরের বলে ফেরান হাসান মাহমুদকে। পরে ১৩৪ রানে থামে রংপুরের ইনিংস।
বরিশালের হয়ে খালেদ নেন চারটি, মিরাজ দুটি ও ইমরান, ওয়েল্লাগে এবং শোয়েব মালিক একটি করে উইকেট নেন।








