মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বইছে দর্শকবন্যা। তিল পরিমাণ জায়গা খালি নেই গ্যালারিতে। বিসিবির তথ্যানুযায়ী ২৫ হাজারেরও বেশি দর্শকের সমাগম হয়েছে হোম অব ক্রিকেট। বিশাল এই জনসমুদ্রকে আনন্দে মাতিয়েছেন জিমি নিশাম ও নুরুল হাসান সোহান। তাদের ব্যাটিং ঝলকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে রংপুর রাইডার্স।
আসরের প্রথম কোয়ালিফায়ারে টসে জিতে রংপুরকে ব্যাটে আমন্ত্রণ জানান কুমিল্লা অধিনায়ক লিটন দাস। নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৮৬ রানের সংগ্রহ গড়েছে সাকিব-সোহানদের দল।
রংপুরের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। ২৭ রানে তিন টপঅর্ডারকে হারায় তারা। ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান শামীম হোসেন (০), রনি তালুকদার (১৩) ও সাকিব আল হাসান (৫)।
অষ্টম ওভার শেষে টাইম আউটের সময় মাঠে ফিল্ড আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়ান কুমিল্লার অধিনায়ক লিটন দাস। বিতণ্ডায় জড়ানোর কারণ না জানা গেলেও লিটনকে খুব উত্তেজিত দেখা যায়। পরে কুমিল্লার কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দীন এসে লিটনকে থামান। মাঠের খেলায় সাধারণত লিটনকে এরকম মেজাজ হারাতে দেখা যায়নি কখনও।
পরে খেলা গড়ালে শেখ মেহেদী হাসানের উইকেট তুলে নেন সুনিল নারিন। ১৭ বলে ২২ রান করেন মেহেদী। পরে ঝড় তোলেন জিমি নিশাম। ১০৪ রানে নিকোলাস পুরান ফিরে গেলে নিশামের সঙ্গে অন্যপ্রান্তে ঝলক দেখান সোহান। ২৪ বলে ৩০ রান করে ফিরে যান সোহান। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও একটি ছক্কা।
শেষওভারে নিশামের ব্যাটিং ঝড়ে মেতে ওঠে গ্যালারি। মুশফিক হাসানের ওভারটিতে পাঁচটি বাউন্ডারি আদায় করেন কিউই তারকা। যার মধ্যে ছিল তিনটি ছক্কা ও দুটি চার। সবমিলিয়ে ওই ওভার থেকে মোট ২৮ রান আদায় করেন এই ব্যাটার। সাতটি ছক্কা ও আটটি চারে ৪৯ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন নিশাম।
কুমিল্লার হয়ে আন্দ্রে রাসেল দুটি উইকেট নেন। এছাড়া রোহনাত দৌলা বর্ষণ, তানভীর ইসলাম, মুশফিক হাসান, ও সুনিল নারিন একটি করে উইকেট নেন।







