ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ষোড়শ আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের সঙ্গে লড়বে বাংলাদেশ। লড়াইয়ে নামার আগে বেশ আত্মবিশ্বাসী টিম টাইগার্স। প্রতিপক্ষ ভারত হলেও দলকে নির্ভার রাখছেন যুবাদের প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজ। নিজ দল নিয়েই বেশি ভাবছেন তিনি। তার মতে, অভিজ্ঞতায় ঠাসা লাল-সবুজদেরই জয়ের সম্ভাবনা বেশি।
জিম্বাবুয়ের বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-ভারত। বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় শুরু হবে লড়াই।
২০২০ যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের শিরোপা জয়ের পেছনে বড় অবদান মনে করা হয় ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতাকে। আগের দুই বছরে প্রচুর ম্যাচ খেলে দলটি পোক্ত হয়ে উঠেছিল। এবারও পরীক্ষিত সেই পথই বেছে নিয়েছে বিসিবি। গত জুলাই-অগাস্টে জিম্বাবুয়েতে ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এই দলটি। এছাড়াও গত দুই বছরে টানা খেলার মধ্যেই ছিল তারা।
গত যুব বিশ্বকাপের পর থেকেই এই বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত ৩২টি যুব ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। এই সময়ের মধ্যে যা বিশ্ব ক্রিকেটে সব দল মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি। সর্বোচ্চ ২৫ ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ডের যুবারা, শ্রীলঙ্কা ২৩টি এবং ভারত খেলেছে ২১টি।
বিসিবির দেয়া এক ভিডিও বার্তায় নাভিদ বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি এখানে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বৃষ্টি আমাদের প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। কাদের সাথে প্রথম ম্যাচ খেলছি এটা আসলে তেমন ম্যাটার করে না। প্রস্তুতি ম্যাচের মাধ্যমে এখানকার কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে হবে। প্রতিপক্ষ নিয়ে অত বেশি ভাবছি না। যেকোনো দলের সাথে খেলতেই নিজেদের প্রস্তুত রাখছি।’
‘এখন পর্যন্ত আমাদের প্রস্তুতি ভালোই হয়েছে। কিছু ব্যাপার আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই, যেমন ধরুন আবহাওয়া, বৃষ্টি এসব। তাই এসব নিয়ে অত ভাবছি না। বেশ কিছু দিন আগে এসে এখানে ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছি। প্রথম ম্যাচের আগে হাতে সময় আছে। ছেলেরা উইকেটের আচরণ সম্পর্কে জানতে পারবে। আমার মনে হয় সবাই প্রস্তুত আছে।’
প্রক্রিয়া ঠিকঠাক অনুসরণ করলে ভারতেকে হারানো সম্ভব জানিয়ে নাভিদ বলেছেন, ‘দুটি ভালো দল যখন মুখোমুখি হয়, তখন নির্দিষ্ট দিনটিতে ভালো খেলা দলেরই জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকে। ভারত বেশ ভালো দল, আমরাও খুব ভালো দল। দেখা যাক, আমরা নিজেদের প্রক্রিয়ায় অটল থাকব… ছেলেরা যদি পরিকল্পনা অনুসরণ করতে পারে ও ভালোভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে, আমাদের সম্ভাবনা বেশি থাকবে।’









