রাজধানীতে বিএনপির সমাবেশ থেকে সরকার পতনের একদফা আন্দোলন ঘোষণা করেছে দলটি। আন্দোলনের প্রাথমিক কর্মসূচি হিসেবে রাজধানীসহ সারাদেশে রোডমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এসময় তিনি বলেন, এই কর্মসূচিতে সরকার কর্ণপাত না করলে সামনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে প্রয়োজনে আঙ্গুল বাঁকা করতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটা সুন্দর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে সবাই। সেজন্য সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং নির্বাচন কমিশন পুনঃগঠনের দাবিতে একমত আরও ৩৪টি দলকে নিয়ে যুগপৎভাবে রাজপথে আন্দোলন করব। একদফা দাবিতে ১৮ জুলাই সারাদেশে মহানগরীর ও জেলা পর্যায়ে রোডমার্চ করবে বিএনপি। ঢাকায় এই কর্মসূচি পালন হবে দু’দিন।
১৮ জুলাই গাবতলী থেকে শুরু হয়ে যাত্রাবাড়ি পর্যন্ত পদযাত্রা এবং ১৯ জুলাই রাজধানীর উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে পুরান ঢাকার বাহাদুরশাহ পার্ক পর্যন্ত পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, যুগপৎ ধারায় বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দিচ্ছি। এই সরকারে পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন, খালেদা জিয়াসহ বন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তি- এই এক দফা দাবিতে ১৮ জুলাই মহানগর ও জেলায় ১৯ জুলাই রাজধানীতে পদযাত্রা কার্মসূচি পালন করবে বিএনপি। এটা হচ্ছে প্রাথমিক কর্মসূচি।
ফখরুল বলেন, সরকার প্রতিটি খাত ধ্বংস করে ফেলেছে। ডেঙ্গু রোগীরা হাসপাতালে জায়গা পায় না। সুনামি যখন আসে তখন ঠেকানো যায় না। জনগণের এই সুনামিও ঠেকানো যাবে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, সারাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করে শান্তি মিছিল করে লাভ হবে না। তাদের সমাবেশে মানুষ নেই আর আমাদের সমাবেশ প্রমাণ করেছে তাদের সময় শেষ। আমাদের প্রাণ দেয়ার সময় এসে গেছে, যেকোন কর্মসূচি সফল করতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ভোট চুরি প্রকল্পের সঙ্গে যারাই জড়িত তাদের হাত ভেঙে দিব। আজকে বিদেশিরা কেন বাংলাদেশে আসছে? কারণ এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সংবিধানের কথা বলে লাভ নেই। নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে।








