যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত সম্পূর্ণরূপে একটা জনবিচ্ছিন্ন এবং কুখ্যাত সন্ত্রাসী দল, যারা মানুষ হত্যা করতে সিদ্ধহস্ত।
তিনি বলেন, একাত্তরে জামায়াত গণহত্যা চালিয়েছে বাঙালির ওপর, ’৭৫-এ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু পরিবারের ওপর বেপরোয়া হত্যাকাণ্ডের হোতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। ’৭৮ থেকে ৭৯ তেও হত্যাকাণ্ডসমূহেরও হোতা জিয়াউর রহমান।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ২২ জুন সকালে গুলিস্তান মহানগর নাট্যমঞ্চ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক।
যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি।

শেখ ফজলে শামস্ পরশ আরও বলেন, নিকট অতীতে ২০০১ সালে জোট বেধে বিএনপি-জামায়াত আওয়ামী লীগ নিধনে নেমে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রায় ২৫ হাজার নেতাকর্মী-সমর্থকদের হত্যা করেছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের কুখ্যাত জঙ্গি-সন্ত্রাসী জোট সরকারের তাণ্ডব তো আপনাদের মনে থাকার কথা। সুতরাং, খুন-হত্যার রাজনীতির ক্ষেত্রে এদের উদ্দেশ্য এবং অভিলাস ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নাই।
তিনি বলেন, এরা শুধু হত্যা, ক্যু এবং সন্ত্রাসই করতে জানে, জনগণের জন্য কিছু করার মুরদ নাই। এখন ক্ষমতা দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে! আমি তাদের বলব- এখনো সময় আছে মানুষের পাশে দাঁড়ান, গঠনমূলক রাজনীতিতে মনোনিবেশ করেন, তা না হলে এদেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবে না। আপনারা পালানোরও পথ খুঁজে পাবেন না।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হারিছ মো. শেখ সাগর, উপপরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. সামসুল ইসলাম পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজাসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।








