গত ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। জয়ের পরই যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশটির নাগরিকত্বপ্রাপ্তির যে আইন বা বিধি প্রচলিত ছিল, তা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, নতুন প্রশাসন দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সেইসব ভূমিষ্ঠ শিশুদেরই স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে, যাদের বাবা বা মায়ের অন্তত একজন অভিভাবকের মার্কিন নাগরিকত্ব আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের প্রচারাভিযান সংক্রান্ত দাপ্তরিক সাইটে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্ম নেয়া কোনো শিশুর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব প্রাপ্তির জন্য ওই শিশুর বাবা বা মা যে কোনো একজনের নাগরিক হওয়া বা যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের অনুমোদন থাকা জরুরি। অবিলম্বের দেশের কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে এই নির্দেশনা পাঠানো হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় এই ক্যাটাগরির নাগরিকরা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। ইতোমধ্যে অনেকেই ইমিগ্রেশন আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শও নিয়েছেন।
২০২২ সালের মার্কিন জনগণনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ৪৮ লাখ ভারতীয় বসবাস করেন। তার মধ্যে ১৬ লাখ জন্মগ্রহণ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।
ট্রাম্পের নয়া নীতি অনুযায়ী, তারা কেউই মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য নয়। কারণ তাদের বাবামা মার্কিন নাগরিক নন বা তাদের গ্রিন কার্ড নেই। এইচ-১বি ভিসায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত অনেকেই কয়েক দশক ধরে ব্যাকলগে আটকা পড়ে আছেন। অতিরিক্তভাবে কোনো দেশই কর্মসংস্থান বা পরিবারভিত্তিক বিভাগে মোট গ্রিন কার্ডের ৭ শতাংশের বেশি পেতে পারে না।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের শুমারির তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে বাস করছেন ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৮১৬ জন অভিবাসী। এই অভিবাসীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশেরই বৈধ নথি নেই।









