টানা চার মেয়াদে ১৬ বছর বাফুফের সভাপতি পদে থাকা সালাউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন না করার ঘোষণা দেয়ার পরদিন তরফদার রুহুল আমিন সভাপতি পদে নির্বাচন করার কথা জানান। তবে চমক দেখিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মনোয়ন কিনেন। সেই পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসেন। এবার ভোট দিতেও আসেননি চট্টগ্রামের এ সংগঠক।
শনিবার দুপুর দুটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে চলে ভোট গ্রহণ। ভোটার সংখ্যা ১৩৩ হলেও নির্বাচনে ভোট পড়েছে ১২৮টি। চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডের তরফদার রুহুল আমিনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের কাউন্সিলর সামসুল হক চৌধুরীও আসেননি। এছাড়া নীলফামারী জেলা ক্রীড়া সংস্থা, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং মৌলভীবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থা ভোটে অংশগ্রহণ করেনি।
এর আগে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে পাঁচটি কারণ দেখিয়ে নির্বাচন সরে দাঁড়ানোর আবেদন করেন তরফদার। এর মধ্যে ফিফা থেকে নিষিদ্ধ আবু নাইম সোহাগের স্বাক্ষর করা নির্বাচন বিধি ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতসহ আরও তিনটি কারণ দেখিয়েছেন।









