এশিয়া কাপের বাছাই ম্যাচ সামনে রেখে প্রস্তুতি নিতে নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচ ঠিকঠাক হলেও দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সরকার বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে দেশটি। যার প্রভাবে বাতিল করা হয় ম্যাচটি। মঙ্গলবার বাংলাদেশ দলের ফেরার কথা থাকলেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়াতে কাঠমাণ্ডুতে আটকে পড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। জামাল ভূঁইয়াদের সবশেষ পরিস্থিতি জানিয়েছে বাফুফে।
মঙ্গলবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করার পরেও উত্তাল থাকে নেপাল। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আগুন দেয় আন্দোলনকারীরা। এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয় নেপালে।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল নেপাল থেকে নির্ধারিত সময়ের একদিন আগে আজ বেলা ৩:০০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের BG0372 ফ্লাইটে দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু নেপালের বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রা স্থগিত করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলের বর্তমান পরিস্থিতি জানিয়ে বাফুফে বলেছে, ‘নেপালের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের আজকের বাংলাদেশে যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নেপালে বাংলাদেশের দূতাবাস এবং অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (আনফা) খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে।’
‘স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (আনফা) এবং বাংলাদেশ দূতাবাস নিশ্চিত করেছে যে আমাদের দল তাদের বর্তমান অবস্থানে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত আছে। আমরা পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক দৃষ্টি রাখছি এবং এ বিষয়ে আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ সবাইকে জানিয়ে দেয়া হবে।’
গত শুক্রবার দেশটির সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম বন্ধ করে দেয়। এর সাথে যোগ হয় সরকারের দুর্নীতির বিপক্ষে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ। সোমবার দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভে নামে আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার আন্দোলনের তোপে পদত্যাগ করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা।









