বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ১৫টি সদস্য পদের জন্য ৩৭ জন প্রার্থী লড়াই করেছেন। সবচেয়ে বেশি ৯৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ইকবাল হোসেন।
শনিবার দুপুর দুটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে চলে ভোট গ্রহণ। ভোটার সংখ্যা ১৩৩ হলেও নির্বাচনে ভোট পড়েছে ১২৮টি। চট্টগ্রাম আবাহনী লিমিটেডের তরফদার রুহুল আমিনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের কাউন্সিলর সামসুল হক চৌধুরীও আসেননি। এছাড়া নীলফামারী জেলা ক্রীড়া সংস্থা, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং মৌলভীবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থা ভোটে অংশগ্রহণ করেনি।
সদস্য পদে ইকবালের পাশাপাশি জিতেছেন আরও কয়েকজন ফুটবলার- গোলাম গাউস, সত্যজিৎ দাশ রুপু, ছাইদ হাসান কানন, বিজন বড়ুয়া, জাকির হোসেন চৌধুরী। এছাড়া বাফুফের নির্বাহী সদস্য ও নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ ৮১ ভোট পেয়ে জিতেছেন। তবে ফিফা ও বাফুফের নিষিদ্ধ সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগের স্ত্রী তাসমিয়া রেজোয়ানা জিততে ব্যর্থ হয়েছেন, পেয়েছেন ২২ ভোট।
১২৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তাবিথ আউয়াল। তার একমাত্র প্রতিদন্দ্বী দিনাজপুরের ক্রীড়া সংগঠক মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৫ ভোট। আর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সিনিয়র সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ইমরুল হাসান।
চারটি সহ-সভাপতি পদের জন্য লড়েছেন ৬ জন। ১১৫ ভোট পেয়ে প্রথম সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন যশোরের শামসুল হুদা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। লক্ষীপুর জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কাউন্সিলর ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০৮ ভোট পেয়েছেন। ব্রাদার্স ইউনিয়নের সদস্য সচিব সাব্বির আরেফ ৯০ ভোট পেয়ে তৃতীয় ও ফাহাদ করিম ৮৭ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছেন।
কিংবদন্তি ফুটবলার সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির ৬৬ এবং আরেক সাবেক ফুটবলার শফিকুল ইসলাম মানিক পেয়েছেন ৪২ ভোট। দুজনেই জিততে ব্যর্থ হয়েছেন। সাব্বির ২০১৬ সালে সহ-সভাপতি পদে এবং মানিক ২০২০ সালে সভাপতি পদে হেরেছিলেন।
বাফুফে নির্বাচনে সদস্য পদে জয়ী যারা: ইকবাল হোসেন ৯৮, আমিরুল ইসলাম বাবু ৯৬, গোলাম গাউস ৯২, মাহিউদ্দিন সেলিম ৮৮, টিপু সুলতান ৮৭, মঞ্জুরুল করিম ৮৬, জাকির হোসেন চৌধুরি ৮২, মাহফুজা আক্তার কিরণ ৮১, কামরুল হাসান হিল্টন ৮০. সত্যজিত দাশ রুপু ৭৬, ইমতিয়াজ হামিদ সবুজ ৭২, ছাইদ হাসান কানন ৬৭, সাখওয়াত হোসেন ভূঁইয়া শাহীন ৬৬ এবং বিজন বড়ুয়া ৬২ ভোট পেয়ে জয়ী।









