মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়া, জেরে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার কথা জানিয়ে আইসিসিতে বিসিবির চিঠি। জল গড়িয়েছে অনেকদূর, উত্তাল বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক। ক্রিকেটের এমন পরিস্থতিতে যেন ফুটবল বা অন্য খেলা চর্চার বাইরে চলে না যায়, সেটি তুলে আনলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
সোমবার বাফুফে ভবনে সংবাদমাধ্যমের কাছে ক্রিকেট-ফুটবলের অনেক বিষয়েই বলেছেন আসিফ নজরুল। জানিয়েছেন, মোস্তাফিজ দলে থাকার পাশাপাশি আরও দুটি কারণে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে গেলে নিরাপত্তাশঙ্কা থাকবে বলেছে আইসিসি।
সঙ্গে বলেছেন, ফুটবল নিয়েও যেন কথা হয়। বলেছেন, ‘শোনেন, জানি আপনাদের প্রশ্ন কী, আপনারা কী জানতে চান এবং কী প্রচার করবেন সেটাও জানি। বাফুফে এসেছেন, কিন্তু ফুটবলের কিছু আদৌ প্রচার করবেন কিনা আমার সন্দেহ আছে। তবে যেটাই প্রচার করেন, ফুটবলের কথাটা একটু বলেন।’
ফুটবলে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা স্মরণ করেছেন তিনি, ‘প্রথম কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে এসেছি। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে আসার পর থেকে আমাদের সাবেক ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রী আসিফ মাহমুদ এবং আমাদের বাফুফে প্রেসিডেন্ট তাবিথ আউয়াল, বাফুফের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ফুটবলে অনেক চমকপ্রদ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। আপনারা জানেন, আমাদের যে মেয়েদের ফুটবল দল তারা সাফে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, ছেলেদের ফুটবল টিম বহু বছর পর ভারতকে হারিয়ে পুরো বাংলাদেশে আনন্দের বন্যা বইয়ে দিয়েছে। ওনারা বয়সভিত্তিক অনেক টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছেন, অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছেন, প্রতিভা অন্বেষণের মতো প্রোগ্রাম করেছেন।’
বাফুফের আবদার, ফুটবলের জন্য একটি নিবেদিত মাঠ থাকবে। আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘আজকে আমার কাছে ওনাদের (বাফুফের) কিছু দাবি-দাওয়া ছিল। খুব অল্পদিনের জন্য আছি, তারপরও আমার কাছে মনে হয়েছে কয়েকটা জিনিস আমরা ওনাদের দাবির সাথে একমত পোষণ করেছি। এটা হচ্ছে, ঢাকা স্টেডিয়াম যেটা আছে সম্পূর্ণভাবে ফুটবলকে দিয়ে দেয়া। কিন্তু অন্যান্য যারা স্পোর্টস আছে ক্রিকেট ছাড়া, তাদের আয়োজনের প্রয়োজন হলে সেখানে আয়োজন করবে। যদি তারা অন্য কোথাও, যেমন পূর্বাচল স্টেডিয়াম বা অন্যকোথাও যদি তারা জায়গা পেয়ে সরে যায়, তখন এটা সম্পূর্ণভাবে ফুটবলের হয়ে যাবে।’
‘এছাড়া সিলেট এবং চট্টগ্রাম, ফুটবলকে একটি ব্যবস্থা করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। তবে শর্ত আছে, ক্রিকেট ছাড়া অন্যান্য খেলার যদি টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রয়োজন পড়ে, ওনারা সেখানে আয়োজন করতে দেবেন।’
‘আর হচ্ছে আমাদের কমলাপুরে যে স্টেডিয়ামটা আছে, সেখানে শুধু মাঠের দায়িত্বভার ফুটবলকে দেয়া হয়েছিল, এখন গ্যালারির দায়িত্বভারও দেয়া হয়েছে। ওখানে যে ডরমেটরি আছে সেটাও রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনা করবে ফুটবল ফেডারেশন, কিন্তু ওখানে বরাদ্দ দেবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।’









