বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণের একদিন পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীকে সনাক্ত করে তার ছবি প্রকাশ করেছে পুলিশ। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি ক্যাফেতে বিস্ফোরণের ব্যাগটি রেখেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শনিবার ২ মার্চ ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তির সাথে থাকা অন্য একজনকে আটক করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, একজন ব্যক্তি কর্ণাটকের রাজধানীর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় ক্যাফে প্রাঙ্গনে একটি ব্যাগ বহন করছে। পুলিশের মতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি এই ব্যাগটি ক্যাফেতে রেখেছিল এবং তারপর বিস্ফোরণ ঘটার আগেই চলে যায়।
বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় অবস্থিত জনপ্রিয় ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এবার সেই বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকা আসল অপরাধীর ছবি প্রকাশ করে পুলিশ। ঘটনার আগের সিসিটিভি ফুটেজে সেই মুখ ধরা পড়েছে।
তবে সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পুলিশের চিহ্নিত মূল অভিযুক্তের মুখ ঢাকা। টুপি, মাস্ক, চোখে চশমার জন্য মুখ ঠিকভাবে দেখা যায়নি ভিডিওতে। তাকে এক প্লেট ইডলি হাতে ক্যাফেতে ঘুরতে দেখা গিয়েছিল।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর ১২টা ৫০ থেকে ১টার মাঝে বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণটি ঘটেছিল। প্রাথমিকভাবে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান করা হয়েছিল। তবে তদন্তের পর দেখা যায়, এটা পূর্বপরিকল্পিত আইইডি বিস্ফোরণ।
বিষয়টি পরবর্তীতে নিশ্চিত করেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। এর ফলে, ইউএপিএ এবং বিস্ফোরক আইনে মামলা করেছে পুলিশ। আর ঘটনার তদন্তে নামে দেশটির পুলিশ এবং ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি এনআইএ।
এই বিস্ফোরণ নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। তদন্তে সবদিক দিয়ে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বিস্ফোরণস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে শিবকুমার বলেন, ‘২৮ থেকে ৩০ বছর বয়সি এক যুবক কাউন্টার থেকে রভা ইডলি কিনেছিল। তিনি একটি ব্যাগ রেখে দিয়ে চলে যায়। এর প্রায় এক ঘণ্টা পরে বিস্ফোরণটি ঘটে।’







