প্রায় ছয় দশক পর লড়াই জমেছিল ইন্টার মিলান ও বেনফিকার। ইতালি ও পর্তুগাল জায়ান্টদের দ্বিতীয় দেখাতে জয় নিশ্চিত করেছে মিলান। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ার্টার ফাইনালে বেনফিকাকে হারিয়েছে ২-০ গোলে। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (তখনকার ইউরোপিয়ান কাপ) ফাইনালে প্রথম দেখাতেও বেনফিকাকে হারিয়েছিল ইতালিয়ান ক্লাবটি।
বুধবার রাতে পর্তুগালে বেনফিকাকে হারানোর রাতে সফরকারী দলের গোল দুটি করেছেন বারেল্লা ও লুকাকু। পর্তুগিজ জায়ান্টদের হারিয়ে সেমিফাইনালের দৌড়ে এগিয়ে থাকল ইন্টার মিলান। ২০ এপ্রিল ফিরতি লেগে ঘরের মাঠ সান সিরোতে বেনফিকার কাছে ১-০ ব্যবধানে হারলেও সেমি নিশ্চিত হবে লৌতারো মার্টিনেজদের।
এস্তাদিও দ্য লুজে বল দখলে দাপট ছিল স্বাগতিক বেনফিকার। লড়াইটাও জমেছিল বেশ। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে দুদলই ছিল সমানে সমান। তবে বেশকিছু সুযোগ পেয়েও হাতছাড়া করে সিরি-আ জায়ান্ট দলটি। বেনফিকাও সুযোগ পেয়েছিল বেশ কয়েকবার। সফরকারী দলের রক্ষণ পরাস্তে ছিল ব্যর্থ। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই বেনফিকার উপর চড়াও হয় ইন্টার মিলান। ৫১ মিনিটে দেখা মেলে প্রথম গোলের। জালে বল পাঠান বারেল্লা। গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে বেনফিকা। শোধের আগেই ৭৮ মিনিটে ডি-বক্সে মিডফিল্ডার জোয়াও মারিও’র হাতে বল লাগলে জাগে পেনাল্টির সম্ভাবনা। ভিএআরের সিদ্ধান্তে পেনাল্টি পায় মিলান। ৮২ মিনিটে বেনফিকা গোলকিপারকে পরাস্ত করে পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করেন লুকাকু। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইন্টার মিলান।
এরপর দুবার গোল করার সুযোগ পায় বেনফিকা। দুটি আক্রমণেই ব্যর্থ হয় পর্তুগিজ ক্লাবটি। ইন্টার মিলানের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লৌতারো মার্টিনেজও ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পান। তিনিও ব্যর্থ হন। ম্যাচ শেষ হয় ২-০ ব্যবধানে ইন্টার মিলানের জয়ে।








