সপ্তাহখানেক ধরে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা বেশ মনোযোগী ফিটনেস ট্রেনিংয়ে। জাতীয় স্টেডিয়ামে অ্যাথলেটিকস ট্র্যাকে ফিটনেস পরীক্ষা দিয়েছেন তারা। যেখানে নাহিদ রানা-তানজিম হাসান সাকিবদের ফিটনেসে মুগ্ধ হয়েছেন বছর দেড়েক আগে বাংলাদেশ দলের স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচের দায়িত্ব নেয়া নাথান কেলি।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ফিটনেস ক্যাম্প চলাকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরলেন নাথান। বলেছেন, ‘ক্রিকেটাররা খুব অনুপ্রাণিত। ওরা সবাই প্রচণ্ড পরিশ্রমী এবং নিজেদের সেরা বানাতে চায়। আমি কখনও আমাদের খেলোয়াড়দের থেকে ফিটনেস নিয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। তারা পুরোপুরি যুক্ত হয়েছে, উন্নতির চেষ্টা করছে এবং তাদের এনার্জি ও উৎসাহ দারুণ।’
‘খেলোয়াড়দের মধ্যে অনেক উন্নতি হচ্ছে। কেউ কেউ বলছে এই টেস্টগুলো নাকি নতুন, এটা ঠিক না। আমি ২০২৪ সালের এপ্রিলে যোগ দেয়ার পর থেকে ১৮ মাস ধরে এই টেস্টগুলো করাচ্ছি – টাইম ট্রায়াল, স্ট্রেংথ টেস্ট, স্প্রিন্ট টেস্ট, এসবের ধারাবাহিক তথ্য আমাদের কাছে আছে, যেটা দিয়ে খেলোয়াড়দের উন্নতি ট্র্যাক করছি।’
‘আমাদের ছেলেরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেছে। আমার মনে হয় সেটি প্রমাণিত হয়েছে। যদি আমাদের কিছু কন্ডিশনিং দেখে থাকেন, ভালোভাবেই বুঝতে পারবেন। সত্যিই এখানে কিছু চ্যালেঞ্জিং অনুশীলন রয়েছে। যদি মনে করেন যে তারা চ্যালেঞ্জিং ছিল না, তাতে আপনাদের একদিন আমাদের সঙ্গে এসে সেগুলো করতে স্বাগত জানাব। আপনি জানতে পারবেন, তাদের মনোভাব এবং প্রচেষ্টা অসাধারণ। তারা নিজেরা অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে।’









