আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গড়াতে চলেছে এশিয়া কাপ। মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বাংলাদেশ দল। একসপ্তাহ ধরে স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ নাথান কেলির অধীনে ফিটনেস নিয়ে চলছে লিটন দাসের দলের কার্যক্রম। লম্বাসময় ধরে টাইগাররা ফিটনেস ট্রেনিংয়ের সুযোগ না পেলেও ছোট ছোট সেশনে দলকে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন নাথান।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ফিটনেস ক্যাম্প চলাকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে টাইগারদের ফিটনেসের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরেন নাথান। বললেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল, দীর্ঘসময় ধরে ফিটনেস ট্রেনিংয়ের সুযোগ বের করা।’
‘ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার মতো আমাদের সে সুবিধা নেই, যেখানে খেলোয়াড়রা টানা প্রায় ১৫ সপ্তাহের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি নিতে পারে। আমরা কেবল ছোট ছোট সময় পাই, তাই যখনই সুযোগ মেলে, তখনই যতটা সম্ভব কাজ করানোর জন্য আমরা নিয়মিত সেই লড়াইটা চালিয়ে যাই।’
ফিটনেস ট্রেইনিংয়ের জন্য কয়েক ধরনের পদ্ধতি থাকলেও টাইম ট্রায়াল ব্যবহার করেন নাথান। যা সহজ এবং অন্যগুলোর তুলনায় সঠিক তথ্য দেয়, মনে করেন এ কোচ।
‘মাঝেমধ্যেই তর্ক হয়, কোনটি সেরা টেস্ট। আমি টাইম ট্রায়াল ব্যবহার করি, কারণ এই পরীক্ষা নেয়া সহজ। আপনার কোন যন্ত্রপাতি লাগবে না অ্যাথলেটিক টার্ফে দৌড়ানোর জন্য। ক্রিকেট মাঠের সবুজ ঘাসেও এটা করতে পারবেন। এটার ফল নিয়ে কম বিতর্ক হয়। যখন ইয়ো-ইয়ো বা বিপ টেস্ট করান, কখনও কখনও খেলোয়াড়রা খুব অল্পের জন্য পিছিয়ে যায়, কিন্তু তখন তাদের থামিয়ে দিয়ে বলাটা কঠিন হয়ে যায় যে তোমার টেস্ট শেষ। ঘড়ি সবসময় সঠিক তথ্য দেয়।’









