‘বাজবল’ ক্রিকেট শুরুর পঞ্চম ম্যাচে এসেই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখে ফেলেছে ম্যাককালাম-স্টোকসের ইংল্যান্ড। সফরকারী সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে মুখ থুবরে পড়ে ইংলিশদের অতি আক্রমণাত্মক ‘বাজবল’ থিউরি। লর্ডসে ইংলিশদের ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষে ডিন এলগারের দল। ‘বাজবল’ টেকসই না হওয়ায় সমালোচনায় মুখর সাবেকরা।
প্রস্তুতি ম্যাচে তরুণ ইংলিশ লায়ন্সের বিপক্ষে তুলোধুনো হওয়ার পরও প্রোটিয়া অধিনায়ক বলেছিলেন বুমেরাং হয়ে দাঁড়াতে পারে এই ‘বাজবল’। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে হলও তাই। ম্যাচে ইনিংস ও ১২ রানের হার দেখতে হয়েছে ম্যাককালামের। তাতে সমালোচনায় মুখর সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটাররা। কেননা, কদিন আগেই এই ‘বাজবল’ ক্রিকেটের শিকার হতে হয়েছিল তাদের।
ভারতের সাবেক ওপেনার ও টাইগারদের বর্তমান অনূর্ধ্ব-১৯ ও হাইপারফরম্যান্স দলের গেম ডেভলপমেন্ট কোচ ওয়াসিম জাফর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে কোঁচা দিয়েছেন ইংলিশদের ‘বাজবল’ ক্রিকেট নিয়ে।
‘বাজবল চতুর্থ ইনিংসকে বিস্ময়কর করেছে। তবে পরের লাইনেই তিনি সাউথ আফ্রিকার পক্ষে লিখেন, চতুর্থ ইনিংস বলে কিছু নেই।’
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ প্রোটিয়াদের বোলিং আক্রমণ ও অধিনায়কের প্রশংসা করে বাজবলের সমালোচনা করেন টুইটারে লেখেন, ‘সাউথ আফ্রিকা দেখিয়েছে ‘বাজবল’ বিশ্বমানের বৈচিত্র্যময় বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে না। এলগার একজন তীক্ষ্ণ অধিনায়ক যিনি স্মার্ট ফিল্ড সেট করতে পেরেছেন।’
প্রথম ইনিংসে ইংলিশদের ১৬৫ রানে থামিয়ে ৩২৬ রান করে প্রোটিয়ারা। ব্যাটিংয়ে নেমে ফের ১৪৯ রানে গুটিয়ে গেলে ইনিংস ও ১২ রানের জয় পায় প্রোটিয়ারা। দারুণ জয়ে অস্ট্রেলিয়াকে টপকে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে এখন সাউথ আফ্রিকা। ৮ ম্যাচে ৬ জয়, ২ পরাজয়ে ৭২ পয়েন্ট ও ৭৫ শতাংশ জয়ের হার নিয়ে শীর্ষে প্রোটিয়ারা।
১০ ম্যাচে ৬ জয়, ১ হার ও ৩ ড্র’য়ে ৮৪ পয়েন্টসহ ৭০ শতাংশ জয়ের হার নিয়ে দুইয়ে অজিরা। পরের অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। ১০ ম্যাচ থেকে ৫৩.৩৩ জয়ের শতাংশ নিয়ে তাদের পয়েন্ট ৬৪। ইংলিশদের অবস্থান ৭ নম্বরে। ১৭ ম্যাচে ৫ জয়, ৮ হার ও ৪ ড্র’য়ে ৩১.৩৭ শতাংশ জয়ের হার নিয়ে ৬৪ পয়েন্ট তাদের। তলানিতে অবস্থান বাংলাদেশের। ১০ ম্যাচে ১ জয়, ১ ড্র ও ৮ হারে ১৩.৩৩ জয়ের শতাংশ নিয়ে টাইগারদের পয়েন্ট ১৬।








