লন্ডনের ক্রেডিট এগ্রিকোল ব্যাংকের সহযোগী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন নিশা শাহ। দীর্ঘ ৯ বছর কর্মজীবন অতিবাহিত হলেও সন্তুষ্ট ছিলেন না নিজের পেশায়। এরপর ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে শুরু করেছেন ইউটিউবে কন্টেন্ট তৈরির কাজ। একটা পর্যায়ে সফলও হয়েছেন তিনি। বছরের আয় করছেন বাংলাদেশি টাকায় ১১ কোটি টাকারও বেশি।
শনিবার (১৩ জুলাই) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, নিশা শাহ বুঝতে পেরেছিলেন ব্যাংকের চাকরিটি ‘চ্যালেঞ্জিং’।
তাই, ঠিক এক বছরের কিছু সময় আগে ঝুঁকিপূর্ণভাবে নিজের ক্যারিয়ার পরিবর্তন করেন নিশা শাহ। ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে শুরু করেন ইউটিউবিং। তবে এক বছরে নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন উন্নতম উচ্চতায়। আয় করেছেন ১১ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালেও নিশা শাহ এর কর্মস্থান ছিল ব্যাংক। আর বাৎসরিক আয় ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ডলার, বা তিন কোটি টাকা। তবে তিনি এই বেতনে সন্তুষ্ট ছিলেন না।
নিশা শাহ বলেন, ব্যাংকের চাকরিটা আমার ভালো লাগতো না। আমি এমন কিছু চেয়েছিলাম, যেখানে মানুষের জন্য কিছু করার সুযোগ থাকবে। অথচ ব্যাংকে থাকলে তা কখনো করার সুযোগ নেই। তাই চাকরি ছেড়ে নতুন কিছু শুরু করেছিলাম।
ইউটিউবে নিশার সাফল্য তাংক্ষণিক হয়নি। তার ফলোয়ার সংখ্যা (সাবস্ক্রাইব) এক হাজার পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ১১ মাস। তবে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে একটি টার্নিং পয়েন্ট আসে তার জন্য। তিনি নিজের সম্পর্কে একটি ভিডিও তৈরি করেন। আর তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। দ্রুত এক হাজার থেকে ফলোয়ার সংখ্যা ৫০ হাজারে পৌঁছায়। আর ওই এক ভিডিও থেকে আয় হয় প্রায় ৪ লাখ টাকা। এভাবেই বাড়তে থাকে আয়ের পরিধি।









