ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিল করার পরেও ঋণখেলাপির তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার নাম থাকার বিষয়টি স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এই আদেশের ফলে আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রার্থী হতে বাধা নেই বলে জানান তার আইনজীবীরা।
মান্নার আবেদনের শুনানি শেষে আজ (২৯ ডিসেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত এই আদেশ দেন। আদালতে মাহমুদুর রহমান মান্নার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম।
আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের অংশীদার মাহমুদুর রহমান মান্না। এই কোল্ড স্টোরেজের নামে ঋণ থাকার প্রেক্ষাপটে মাহমুদুর রহমানের নামা আসে (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি) প্রতিবেদনে। তবে সিআইবি প্রতিবেদন থেকে নিজের নাম কাটাতে হাইকোর্টে রিট করেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে সে রিট গত বুধবার বিচারপতি মো. বজলুর রহমান ও বিচারপতি মো. মনজুর আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সরাসরি খারিজ করে দেন। হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন মাহমুদুর রহমান মান্না।
হাইকোর্টের আদেশের পর মান্নার আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের ৫০ শতাংশ শেয়ার মাহমুদুর রহমান মান্নার। এই কোল্ড স্টোরেজের নামে ইসলামী ব্যাংক বগুড়া শাখা থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছিল। মাহমুদুর রহমানের আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংক সে ঋণ পুনঃ তফসিল করতে ইসলামী ব্যাংককে চিঠি দিলে ঋণ পুনঃ তফসিল করে ইসলামী ব্যাংক। ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার বেশি ইতিমধ্যে তিনি জমা দিয়েছেন।









